Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: সোমবার সন্ধ্যা নামতেই শহরের আকাশ জুড়ে ভেসে উঠেছে আতশবাজির আলো আর শব্দ (Kolkata Air Quality)। পুলিশ ও রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের পক্ষ থেকে শুধুমাত্র সবুজ বাজি ফাটানোর অনুমতি এবং নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হলেও বাস্তবে সেই নির্দেশ মানা হয়নি এমনটাই জানিয়েছে প্রশাসনিক সূত্র। বহু এলাকায় রাতভর বাজি ফাটানোর শব্দে আকাশ কেঁপে উঠেছে। স্থানীয় সূত্রের খবর, একাধিক জায়গায় নিষিদ্ধ বাজিও ব্যবহার হয়েছে। কালীপুজোর রাতে শহরের বাতাসে বারুদের গন্ধ টের পেয়েছেন অনেকেই।

ব্যতিক্রম ভিক্টোরিয়া এলাকা (Kolkata Air Quality)
কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত কলকাতার অধিকাংশ এলাকার বায়ুমান সূচক (AQI) রয়েছে ‘সহনীয়’ পর্যায়ে (১০১–২০০)। তবে ব্যতিক্রম ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল সংলগ্ন এলাকা, যেখানে একিউআই ২৩৯ যা ‘খারাপ’ পর্যায়ে। প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যাচ্ছে,
বালিগঞ্জ: ১৬৭ (সহনীয়)
বিধাননগর: ১৬৫ (সহনীয়)
ফোর্ট উইলিয়াম: ১৪৩ (সহনীয়)
যাদবপুর: ২০০ (সহনীয়)
রবীন্দ্র সরোবর: ১৪২ (সহনীয়)
রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়: ১৩৫ (সহনীয়)
ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল: ২৩৯ (খারাপ)
হাওড়ার দুই এলাকায় খারাপ বাতাস (Kolkata Air Quality)
হাওড়া জেলার বাতাসের মান নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন পরিবেশকর্মীদের একাংশ।
সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকাল ৯টার সময়,
বেলুড় মঠে AQI ২০৬ (খারাপ)
পদ্মপুকুরে AQI ২৪১ (খারাপ)
অন্যদিকে বটানিক গার্ডেন (১৮৫), দাসনগর (১৫২) ও ঘুসুড়ি (১৯২) এলাকায় বাতাসের মান ‘সহনীয়’।
স্বস্তিদায়ক নয়, সতর্ক থাকা জরুরি (Kolkata Air Quality)
পরিবেশ সংক্রান্ত এক সূত্রের দাবি, দিল্লির তুলনায় কলকাতার অবস্থা অনেকটাই ভালো হলেও “স্বস্তিদায়ক নয়”।
সূত্রের ভাষায়, “কলকাতার বাতাস দিল্লির তুলনায় ভালো মানের হলেও তা মোটেই নিরাপদ নয়। মানুষের মধ্যে সচেতনতার অভাবই বড় সমস্যা। দূষণ শুধু চোখে দেখা যায় না, শরীরে জমে থেকে ধীরে ধীরে ক্ষতি করে। শব্দদূষণকেও এই আলোচনায় রাখতে হবে।”
আরও পড়ুন: Fire Incident: দাউদাউ আগুন, পরপর বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল! দীপাবলির পরই কেন এমন দুর্ঘটনা?
গ্রেপ্তার ১৮৩, বাজেয়াপ্ত ৮৪২২ কেজি বাজি
কালীপুজোর রাতে ও তার পরের ঘণ্টাগুলিতে ১৮৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে নিষিদ্ধ বাজি ফাটানোর অভিযোগে এমনই খবর পুলিশ সূত্রে। একই সঙ্গে ৮৫২ কেজি বাজি বাজেয়াপ্ত করা হয় সোমবার রাত পর্যন্ত। গত ১০ দিনে মোট ৮৪২২ কেজি বাজি বাজেয়াপ্ত করেছে কলকাতা পুলিশ। সূত্র জানাচ্ছে, বাজি বিক্রি ও সরবরাহের সঙ্গে যুক্তদের খুঁজে বের করতে বিশেষ নজরদারি অভিযান চলছে।



