Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: রবিবার মহালয়ার দিনে যখন শহরজুড়ে উৎসবের আমেজ (Kolkata Charu Market), তখনই ঘটে গেল চাঞ্চল্যকর ঘটনা। কলকাতার চারু মার্কেট এলাকায় জনবহুল এক জিমের ভিতরে ঢুকে দুষ্কৃতীরা গুলি চালায়। ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার দুপুর সাড়ে ১২টার সময়। হঠাৎ এই গুলির ঘটনায় আতঙ্কে ভরপুর হয়ে ওঠেন স্থানীয় মানুষজন।
কীভাবে ঘটল ঘটনাটি? (Kolkata Charu Market)
প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, দুজন দুষ্কৃতী রেইনকোট পরে আচমকাই ওই জিমে প্রবেশ করে। তাঁরা প্রথমেই জিমের মালিকের খোঁজ করতে শুরু করেন। অভিযোগ, মালিককে নিশানা করেই গুলি চালানোর পরিকল্পনা ছিল তাঁদের। তবে সেই সময় জিমের মালিক উপস্থিত না থাকায় তিনি রক্ষা পান। কিছুক্ষণের মধ্যেই দুষ্কৃতীরা টানা দু রাউন্ড গুলি চালায় এবং বাইকে চেপে পালিয়ে যায়।

জনবহুল এলাকায় গুলির ঘটনায় আতঙ্ক (Kolkata Charu Market)
ঘটনার সময় জিম চলছিল। অর্থাৎ, ভেতরে উপস্থিত ছিলেন বহু সাধারণ মানুষ। শুধু তাই নয়, আবাসনের নীচতলায় ওই জিম থাকায় আশপাশের রাস্তায় ও ঘরবাড়িতেও অনেকেই ছিলেন। আচমকা গুলির শব্দে এলাকাবাসী আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। এমন এক জনবহুল এলাকায় এভাবে গুলি চালানোয় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে নিরাপত্তা নিয়ে।
পুলিশের তৎপরতা ও তদন্ত (Kolkata Charu Market)
চারু মার্কেট থানার দূরত্ব ঘটনাস্থল থেকে মাত্র ২৮০ মিটার। খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশবাহিনী। তবুও প্রায় দেড় ঘণ্টা পরও দুষ্কৃতীদের কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, গোটা ঘটনার তদন্ত চলছে এবং আশেপাশের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন (Kolkata Charu Market)
এই ঘটনার পর আবারও সামনে এল কলকাতার নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রশ্ন। শহরের কেন্দ্রে, থানার এত কাছে, দিনের বেলায়, তাও উৎসবের সময় এভাবে দুষ্কৃতীদের দাপিয়ে বেড়ানোয় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ মানুষ।
আতঙ্কে বাসিন্দারা (Kolkata Charu Market)
জিমের ভেতরে উপস্থিত মানুষজনের পাশাপাশি আশেপাশের বাড়ির বাসিন্দারাও ভয়ে সন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছেন। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এরকম ঘটনা আগে শোনা যায়নি। অনেকের মতে, এর পেছনে বড়সড় গ্যাংস্টার চক্র সক্রিয় থাকতে পারে।
আরও পড়ুন: Today Weather Update: দুর্গাপুজোয় ছাতা–রেইনকোট হবে কি বাঙালির সঙ্গী?
খবর সূত্রে জানা যায়
খবর সূত্রে জানা গিয়েছে, দুষ্কৃতীদের উদ্দেশ্য ছিল সরাসরি জিমের মালিককে টার্গেট করা। তবে ঘটনার সময় তিনি উপস্থিত না থাকায় প্রাণহানি এড়ানো গিয়েছে। পুলিশ ইতিমধ্যেই এলাকার একাধিক সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে এবং দুষ্কৃতীদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে। পাশাপাশি অস্ত্র কোথা থেকে এল, সেই দিকটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।



