Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: সোমবার বিকেলে ময়দান মেট্রো (Kolkata Metro Rail) স্টেশনে চলন্ত ট্রেনের সামনে এক যাত্রী ঝাঁপ দেওয়ার চেষ্টা করায় ব্লু লাইনে ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয় পরিষেবা। ঘটনার জেরে কিছু সময়ের জন্য আপ ও ডাউন-দু’দিকেই মেট্রো চলাচল বন্ধ রাখতে হয়। দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে উদ্ধারকাজ শুরু করা হয় বলে জানিয়েছে মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষ।
তৎক্ষণাৎ ট্রেন চলাচল বন্ধ (Kolkata Metro Rail)
মেট্রো সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার বিকেল ৫টা ৫৮ মিনিট নাগাদ (Kolkata Metro Rail) দক্ষিণেশ্বরগামী একটি ট্রেন ময়দান স্টেশনে ঢোকার সময় ওই ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নিরাপত্তা বিধি অনুযায়ী তৎক্ষণাৎ ট্রেন চলাচল বন্ধ করা হয়। এর প্রভাব পড়ে গোটা ব্লু লাইনের পরিষেবায়। বিশেষ করে সেন্ট্রাল থেকে মহানায়ক উত্তমকুমার (টালিগঞ্জ) স্টেশন পর্যন্ত অংশে মেট্রো চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়।
ভাঙা পথে পরিষেবা চালু (Kolkata Metro Rail)
পরবর্তীতে ভাঙা পথে পরিষেবা চালু (Kolkata Metro Rail) করা হয়। আপাতত সেন্ট্রাল থেকে দক্ষিণেশ্বর এবং টালিগঞ্জ থেকে শহিদ ক্ষুদিরাম পর্যন্ত সীমিত পরিসরে মেট্রো চলতে থাকে। এর ফলে অফিসফেরত যাত্রীদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছয়। ব্লু লাইন কলকাতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পরিবহণ ব্যবস্থা হওয়ায় ব্যস্ত সময়ে এই ধরনের বিভ্রাটে সমস্যায় পড়েন হাজার হাজার মানুষ। অনেককেই বাধ্য হয়ে বাস, ট্যাক্সি বা লোকাল ট্রেনের উপর নির্ভর করতে হয়।

একাধিকবার ব্লু লাইনে পরিষেবা ব্যাহত
এটি কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয় বলেই মনে করছেন যাত্রীরা। গত কয়েক দিনের মধ্যেই একাধিকবার ব্লু লাইনে পরিষেবা ব্যাহত হয়েছে। সম্প্রতি নেতাজি ভবন স্টেশনেও একই ধরনের ঘটনার কারণে মেট্রো চলাচল বন্ধ রাখতে হয়েছিল। রবিবারও নেতাজি ও টালিগঞ্জ স্টেশনের মাঝে যান্ত্রিক সমস্যার জন্য পরিষেবা থমকে যায়। সেই সঙ্গে মেট্রোর মোবাইল অ্যাপে বিভ্রাট দেখা দেওয়ায় টিকিট কাটতেও সমস্যায় পড়েন যাত্রীরা।

আরও পড়ুন: Election Observer Attack: মগরাহাটে নির্বাচন কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষকের গাড়িতে হামলা
একাধিক ঘটনার পুনরাবৃত্তি হওয়ায় প্রশ্ন উঠছে, কেন বারবার এই লাইনে এমন পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। যাত্রী নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। মেট্রো কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই ধরনের ঘটনা রুখতে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। প্ল্যাটফর্মে নজরদারি বাড়ানো, সচেতনতা প্রচার এবং নিরাপত্তাকর্মীদের আরও সক্রিয় করার মতো উদ্যোগের কথা জানানো হয়েছে।


