Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ক্রান্তি গৌড় যখন বিশ্বকাপ জয়ের লক্ষ্যে প্রাণপণে বল করছিলেন, তখন সেটা শুধু দেশের জয় ছিল না, এটি ছিল এক পরিবারের দীর্ঘ ১৩ বছরের অপেক্ষার ন্যায়বিচার (Kranti Gaud)। এবার হয়ত সেটা পূরণ হতে চলেছে।
নির্বাসন তোলার আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর (Kranti Gaud)
মহিলা ওয়ানডে বিশ্বকাপে দুর্দান্ত বোলিং করে ২২ বছর বয়সী ক্রান্তি গৌড় ফিরিয়ে এনেছেন তাঁর বাবার হারানো গৌরব। মধ্যপ্রদেশের এই খেলোয়াড় বিশ্বকাপে ৯টি উইকেট নিয়েছেন, যার মধ্যে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে তাঁর অসাধারণ পারফরম্যান্সের জন্য তিনি ‘প্লেয়ার অফ দ্য ম্যাচ’ নির্বাচিত হন। বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর রাজ্য সরকার তাঁকে সম্মানিত করেছে এবং প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বাবার চাকরি পুনর্বহালের (Kranti Gaud)।
২২ বছর বয়সী পেসার ক্রান্তি গৌড় যখন বিশ্বকাপ জয়ের লক্ষ্যে প্রাণপণে বল করছিলেন, তখন সেটা শুধু দেশের জয় ছিল না, এটি ছিল এক পরিবারের দীর্ঘ ১৩ বছরের অপেক্ষার ন্যায়বিচারের লড়াই। ২০১২ সালে ক্রান্তির গৌড়ের বাবা মুন্নালাল গৌড় পুলিশ কনস্টেবল পদ থেকে সাসপেন্ড হয়েছিলেন। তারপর থেকেই শুরু হয় তাঁদের ন্যায়বিচারের লড়াই।

শুক্রবার (৭ নভেম্বর) ভোপালে আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব ভারতীয় দলের ঐতিহাসিক বিশ্বকাপ জয়ে ক্রান্তির অবদানের জন্য তাঁকে সম্মানিত করেন। তবে সবচেয়ে আবেগঘন মুহূর্ত তখন আসে যখন মুখ্যমন্ত্রী তাঁর পরিবারের প্রতি ন্যায়বিচারের আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, ‘আপনার পরিবারের কষ্টের কথা আমি জেনেছি। রাজ্য সরকারের কাছে আবেদন করার নিয়ম রয়েছে। আমরা নিয়ম অনুযায়ী আপনার বাবাকে চাকরিতে ফিরিয়ে আনার জন্য কাজ করব।’ এই ঘোষণায় স্বাভাবিক ভাবেই আবেগে ভাসেন ক্রান্তি (Kranti Gaud)।
আরও পড়ুন: Vande Bharat: প্রধানমন্ত্রীর উপহার, চার নতুন রুটে ছুটল বন্দে ভারত এক্সপ্রেস!
বড় বোন রোশনি সিং গৌড় বলেন, ‘ছেলেদের সঙ্গে খেলার সময়ে ওকে নিয়ে অনেকে হাসাহাসি করত সকলে, কিন্তু ক্রান্তি কখনও থামেনি। একবার স্থানীয় টুর্নামেন্টে প্লেয়ার অফ দ্য ম্যাচ হওয়ার পর কোচ রাজীব বিরথারে ওর প্রতিভা চিনে ফেলেন। সেটাই ছিল টার্নিং পয়েন্ট।’
দাদা ময়াঙ্ক জানান, ‘আমার বোন শুধু দেশকে গর্বিত করেনি, আমাদের পরিবারের সম্মানও ফিরিয়ে এনেছে।’ কোচ রাজীব বিরথারে, যিনি এখন ছত্রপুর জেলা ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি, ক্রান্তিকে কঠোর ফিটনেস ও ডিসিপ্লিনের প্রশিক্ষণ দেন। তিনি বলেন, ‘শুরু থেকেই ওর মধ্যে কমিটমেন্ট ছিল। ফিট থাকার জন্য ও মিষ্টি খাওয়া ছেড়ে দেয়। চোটও ওকে থামাতে পারেনি, প্রতিবার আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরে এসেছে (Kranti Gaud)।’


