Last Updated on [modified_date_only] by Debu Das
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল : মঙ্গলবার লাদাখে রাজ্য মর্যাদা ও ষষ্ঠ তফসিলে অন্তর্ভুক্তির দাবিতে ডাকা বিক্ষোভ ভয়াবহ আকার নেয়(Ladakh Protest)। অন্তত চার জনের মৃত্যু হয়েছে, আহত হয়েছেন ৭০ জনেরও বেশি। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও লাঠিচার্জ করে।
অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর (Ladakh Protest)
ক্ষুব্ধ জনতার একটি অংশ স্থানীয় বিজেপি কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ করে, পাশাপাশি একটি নিরাপত্তা বাহিনীর (INDIAN ARMY) গাড়িও জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে উত্তেজনা চরমে পৌঁছে যায়।
আন্দোলনের পটভূমি (Ladakh Protest)
২০১৯ সালের ৫ আগস্ট ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের পর লাদাখকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ঘোষণা করা হয়(Ladakh Protest)। এর পর থেকেই লাদাখ ও জম্মু-কাশ্মীরের মানুষ রাজ্য মর্যাদা এবং সাংবিধানিক সুরক্ষা দাবি করে আসছেন। লেহ অ্যাপেক্স বডির (LAB) যুব শাখা এ আন্দোলনের ডাক দেয়।
অনশন ও সোনম ওয়াংচুকের বার্তা
জলবায়ু কর্মী সোনম ওয়াংচুক ১৫ দিন ধরে অনশনে ছিলেন(Ladakh Protest)। মঙ্গলবার অনশন ভেঙে তিনি সমর্থকদের উদ্দেশে শান্ত থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “অগ্নিসংযোগ বা সংঘর্ষ কোনো সমাধান নয়। আমরা লড়াই চালাব শান্তিপূর্ণ পথে।” তবে তাঁর অনশনেই দুই আন্দোলনকারীর শারীরিক অবস্থা খারাপ হওয়ায় তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

আরও পড়ুন : H-1B Visa : মার্কিন ভিসা কড়াকড়িতে মেধা-লড়াইয়ে ইউরোপ ও এশিয়া! ভারতীয় মেধা ঝুকবে কোন দিকে?
আলোচনার প্রস্তাব ও প্রতিবাদকারীদের দাবি
আগামী ৬ অক্টোবর কেন্দ্রের সঙ্গে লেহ অ্যাপেক্স বডি (LAB) ও কারগিল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স (KDA)-এর বৈঠক নির্ধারিত(Ladakh Protest)। তবে ক্ষুব্ধ প্রতিবাদকারীরা তারিখ এগিয়ে আনার দাবি জানাচ্ছেন। তাঁদের অভিযোগ, দীর্ঘ আন্দোলন চললেও কেন্দ্র এখনো কার্যকর কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।
উৎসব বাতিল
অশান্তির কারণে লাদাখ প্রশাসন চলতি চার দিনের লাদাখ উৎসবের সমাপনী অনুষ্ঠান বাতিল করেছে। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, “অপরিহার্য পরিস্থিতির কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে(Ladakh Protest)। স্থানীয় শিল্পী, সাংস্কৃতিক দল, পর্যটক ও সাধারণ মানুষের অসুবিধার জন্য দুঃখিত।”
আরও পড়ুন : Delulu 101 : অপারেশন সিঁদুরের বিকৃত ইতিহাস পাকিস্তানের পাঠ্যবইয়ে! কী কী মিথ্যা তথ্য রয়েছে ?
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বাড়তি বাহিনী
অশান্তির জেরে লাদাখে অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। প্রশাসনের দাবি, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা এবং আরও কোনো সহিংসতা এড়ানোই এখন মূল লক্ষ্য।(Ladakh Protest)অশান্তির জেরে লাদাখে অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। প্রশাসনের দাবি, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা এবং আরও কোনো সহিংসতা এড়ানোই এখন মূল লক্ষ্য।
লাদাখের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ ঘিরে উদ্বেগ ও ক্ষোভ ক্রমেই বাড়ছে। রাজ্য মর্যাদা ও ষষ্ঠ তফসিলের দাবিতে জনতার দীর্ঘ আন্দোলন এখন সহিংসতার পথে গড়াচ্ছে। শান্তি ফেরাতে প্রশাসনের পাশাপাশি আন্দোলনকারীদেরও সংযমী হতে হবে—এমনটাই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।


