Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ২১ ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে, শুক্রবার (Language Movement Day) রাত বারোটা এক মিনিটে ঢাকার শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে যাবেন বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সময়ে রাষ্ট্রপতি মহম্মদ সাহাবুদ্দিন উপস্থিত থাকবেন কি না, তা নিয়ে এখনও স্পষ্ট বার্তা মেলেনি।
প্রচলিত রীতি (Language Movement Day)
দেশে প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, প্রথমে রাষ্ট্রপতি (Language Movement Day) এবং তারপর প্রধানমন্ত্রী পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। সাধারণত কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানে রাষ্ট্রের দুই শীর্ষ কর্তা শহিদদের স্মরণ করেন। তবে গত বছর ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ ইউনুস সেখানে উপস্থিত ছিলেন না।

শহিদের আত্মত্যাগের কথা (Language Movement Day)
শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে (Language Movement Day) পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী। দু’জনেই বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষা ও চর্চা জোরদারের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী তাঁর বার্তায় ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহিদদের গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করে বলেন, মাতৃভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম বাঙালির জাতীয় জীবনে এক অনন্য মাইলফলক। তিনি আবুল বরকত, আব্দুস সালাম, রফিকউদ্দিন আহমদ ও আব্দুল জব্বারসহ সকল শহিদের আত্মত্যাগের কথা উল্লেখ করে বলেন, তাঁদের রক্তদানের পথ ধরেই পরবর্তীতে স্বাধীনতার আন্দোলনের ভিত শক্ত হয়।
বাংলা ভাষার সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করার আহ্বান
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, একুশের চেতনা গণতন্ত্র, সমতা ও নাগরিক অধিকারের ভিত্তিকে সুদৃঢ় করেছে। সেই আদর্শ ধারণ করেই বর্তমান সরকার একটি মানবিক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনে অঙ্গীকারবদ্ধ। ভাষা বৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং সর্বস্তরে বাংলা ভাষার সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করার আহ্বানও জানান তিনি।

আরও পড়ুন: Smoke and Hair Loss: সিগারেটের সুখটানেই মাথায় পড়ছে টাক!
রাষ্ট্রপতি তাঁর বাণীতে বলেন, ভাষা একটি জাতির আত্মপরিচয়ের মূলভিত্তি। বহু ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত বাংলার মান রক্ষা করতে হলে চর্চায় আরও যত্নবান হতে হবে। পাশাপাশি বৈশ্বিক অগ্রগতির স্বার্থে আন্তর্জাতিক ভাষায় দক্ষতা অর্জনের ওপরও জোর দেন তিনি।


