Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ইরান–আমেরিকা যুদ্ধের প্রভাব এবার সরাসরি পড়তে শুরু করেছে ভারতে। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির জেরে বাণিজ্যিক রান্নার গ্যাসের সরবরাহে ঘাটতি তৈরি হওয়ায় দেশজুড়ে হাজার হাজার হোটেল ও খাবারের দোকান বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এই সংকটের প্রভাব ইতিমধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলাতেও পড়তে শুরু করেছে। গ্যাসের অভাব প্রভাব ফেলেছে মন্দিরেও। বিভিন্ন স্থানে ভোগ রান্না ও প্রসাদ প্রস্তুতির মত গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবাও ব্যাহত হচ্ছে(LPG Crisis Digha)।
ভোগ বিতরণ কমানোর সিদ্ধান্ত (LPG Crisis Digha)
বড় বড় মন্দিরগুলিতে ভোগ বিতরণ কমিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দিঘার জগন্নাথ মন্দিরে রোজ প্রায় ৩ হাজার লোকের রান্না হত ভোগ প্রসাদ তা কমিয়ে ৭৫০ লোকের জন্য করা হয়েছে। আগে ১০টি সিলিন্ডার লাগত। এখন সেটা ৩টি সিলিন্ডারে করা হচ্ছে। সমস্যা হচ্ছে মিষ্টি বানাতে। মন্দিরে থাকা মজুত গ্যাস এখন শেষের পথে, নতুন করে রিফিলিং না হওয়ায় চরম বিপাকে কর্তৃপক্ষ। ফলে সব মিলিয়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। ভক্তদের ভোগ বন্ধ হলেও, জগন্নাথদেবের নিত্যভোগে যাতে কোনো ছেদ না পড়ে, তার জন্য মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছেন সেবাইতরা।
আরও পড়ুন: Restaurant Crisis: গ্যাসের অভাব: বন্ধ হচ্ছে একের পর এক রেস্তোরাঁ, কাজ হারানোর ভয়ে কর্মীরা
পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বাড়বে পরিমাণ (LPG Crisis Digha)
মন্দির কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক হলেই আবার আগের মত প্রসাদের পরিমাণ বাড়ানো হবে। ভক্তদের অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে তারা জানিয়েছে, এই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে পরিস্থিতির কারণে নেওয়া হয়েছে।
দিঘা ছাড়াও বিভিন্ন মন্দিরে ভিন্ন ব্যবস্থা (LPG Crisis Digha)
এদিকে শুধু দিঘা নয় এর আগে বর্গভীমা মন্দিরেও অনির্দিষ্টকালের জন্য ভোগ বিতরণ বন্ধের কথা জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। ইসকন মন্দিরেও ভোগের মেনু বদল হয়েছে। ইসকনে যেখানে দুপুরে ও রাতে দেওয়া হয় ভাত, ডাল আর চার রকমের সবজি, এবার সেটা বদলে খিচুড়ি করা হচ্ছে।



