Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: সারা দিন সাধারণ বিউটিশিয়ান, রাত (Madam Zeher Arrest) নামলেই আন্ডারওয়ার্ল্ডের ভয়ঙ্কর ‘লেডি ডন’! দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল অবশেষে ধরেছে লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের মাদক ও অস্ত্র চক্রের মূখ্য হোস্ট, খুশনুমা আনসারি ওরফে নেহা, পরিচিত ‘ম্যাডাম জেহের’ নামে। তার সঙ্গে ধরা পড়েছে কুখ্যাত শার্পশুটার ববি কবুতার। এই গ্রেফতারি দিল্লির ক্রাইম জগতে বড় ধাক্কা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বিউটি পার্লারের আড়ালে ছক (Madam Zeher Arrest)
উত্তর-পূর্ব দিল্লির একটি সাধারণ বিউটি পার্লারের (Madam Zeher Arrest) আড়ালে নেহা পরিচালনা করছিল বিশাল মাদক ও অস্ত্র চক্র। পুলিশ বলছে, বিউটি পার্লারটি ছিল শুধুই ‘লোক দেখানো’ ব্যবসা। মঙ্গলবার গভীর রাতে মহিপালপুর ফ্লাইওভারের কাছে SUV গাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয় ববি কবুতার। সঙ্গে ছিলেন নেহা এবং আরও দুইজন পুরুষ সহযোগী। পুলিশের নজরদারি এবং প্রযুক্তিগত তথ্যের ভিত্তিতে এই অভিযানের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের গ্যাংস্টারদের কার্যকলাপ বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।

গুরুত্বপূর্ণ লজিস্টিক লিঙ্ক (Madam Zeher Arrest)
ববি কবুতার লরেন্স বিষ্ণোই ও হাশিম বাবা গ্যাংয়ের গুরুত্বপূর্ণ (Madam Zeher Arrest) লজিস্টিক লিঙ্ক হিসেবে কাজ করত। সে দেশের অবৈধ অস্ত্র ব্যবসায়ীর কাছ থেকে আধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র জোগাড় করত। এই অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিল, সিধু মুসেওয়ালার হত্যাকাণ্ড, অভিনেত্রী দিশা পাটানির বাড়ির সামনে গুলি চালানো এবং দিল্লিতে নাদির শাহ খুন ও সিলামপুরে জোড়া খুন কাণ্ডে।
গ্যাংস্টার শাহরুখের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ
পুলিশ জানাচ্ছে, সিধু মুসেওয়ালার হত্যার আগে ববি কবুতার ‘রেকি’ করে শ্যুটারদের কাছে গতিবিধি ও রুট ম্যাপ পৌঁছে দেওয়ার তথ্য নতুন পাওয়া গেছে। এতে বোঝা যাচ্ছে, তার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল গ্যাংস্টার শাহরুখের সঙ্গে। তদন্তকারীরা বলছেন, বিষ্ণোই গ্যাংয়ে মহিলাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ বাড়ছে। নেহা এই চক্রের তৃতীয় ‘লেডি ডন’, যাকে ধরা পড়েছে। এর আগে দীপা ও জোয়া খান, হাশিম বাবার স্ত্রী গ্রেফতার হয়েছিলেন। নেহা ও ববি কবুতারের সম্পর্ক দীর্ঘ সাত বছর ধরে। তারা পুলিশের নজর এড়াতে ঘন ঘন ঠিকানা পরিবর্তন করত এবং ভুয়ো পরিচয় ব্যবহার করত।

স্পেশাল সেল বর্তমানে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে। লক্ষ্য, মাদক ও অস্ত্র চক্রের অর্থের উৎস খুঁজে বের করা, এনসিএর এলাকায় সক্রিয় স্লিপার সেল চিহ্নিত করা এবং গ্যাংয়ের বিস্তৃত নেটওয়ার্ক চিহ্নিত করা। দিল্লি থেকে এই গ্রেফতারি শুধু মাদক ও অস্ত্র চক্রের জন্য নয়, বরং আন্ডারওয়ার্ল্ডে মহিলাদের সক্রিয় অংশগ্রহণের একটি সতর্কবার্তা হিসেবে ধরা হচ্ছে। পুলিশ মনে করছে, দিল্লির আন্ডারওয়ার্ল্ডে এটি বড় ধাক্কা। তবে প্রশ্ন এখনও রয়ে গেছে—এই চক্রের শেষ কোথায়?


