Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বিহার বিধানসভার বাজেট অধিবেশনে আবারও রাজ্যের সরকারি হাসপাতালগুলোর বেহাল অবস্থার বিষয়টি তীব্র আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এল। এইবার প্রশ্ন তুললেন আলিনগরের বিজেপি বিধায়ক ও খ্যাতনামা লোকগায়িকা মৈথিলী ঠাকুর। নিজের দলেরই স্বাস্থ্যমন্ত্রী মঙ্গল পাণ্ডের জবাবে সন্তুষ্ট না হয়ে তিনি সরাসরি হাসপাতালের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে কড়া প্রশ্ন করেন(Maithili Annoyed)।
সরকারি হাসপাতাল ভবন নিয়ে অভিযোগ (Maithili Annoyed)
বিধানসভার প্রশ্নোত্তর পর্বে মৈথিলী ঠাকুর বলেন, তাঁর বিধানসভা এলাকার সরকারি হাসপাতাল ভবন এতটাই জরাজীর্ণ যে বড়সড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ছাদের প্লাস্টার খসে পড়ে, দেওয়ালে গভীর ফাটল দেখা যায় এবং বর্ষাকালে ওয়ার্ডে জল ঢুকে পড়ে। সেই বিপজ্জনক অবস্থাতেই রোগীদের চিকিৎসা চলছে, ভর্তি করা হচ্ছে গর্ভবতী মহিলা ও শিশুদের। তিনি বলেন, এটি সরাসরি মানুষের জীবনের সঙ্গে খেলা।
মন্ত্রীর লিখিত উত্তরে ক্ষুব্ধ মৈথিলী
মন্ত্রীর লিখিত উত্তরে হাসপাতাল ভবনকে ‘খারাপ নয়, শুধুমাত্র সংস্কারের প্রয়োজন’ বলা হয়েছে এতেই ক্ষুব্ধ হন মৈথিলী। তিনি জানান, নিজের চোখে তিনি ভবনের ভগ্নদশা দেখেছেন। ছোট একটি ঘরে স্বাস্থ্য পরিষেবা চলছে, সেখানে কোনও এমবিবিএস ডাক্তার নেই। আগে দু’জন ছিলেন, এখন আর কেউ নেই।
কেন হাসপাতালগুলোর এমন অবস্থা? (Maithili Annoyed)
তিনি প্রশ্ন তোলেন, প্রতিবছর স্বাস্থ্য বাজেট বাড়লেও কেন হাসপাতালগুলোর এমন অবস্থা। চিকিৎসক ও ওষুধের অভাব যেমন সমস্যা, তার থেকেও বড় বিপদ যেকোনও সময় ভেঙে পড়তে পারে এমন হাসপাতাল ভবন। তাঁর তীব্র প্রশ্ন সরকার কি বড় কোনও দুর্ঘটনার অপেক্ষা করছে?
জবাবে সন্তুষ্ট নন মৈথিলী (Maithili Annoyed)
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জবাবে জানান, সরকার বিষয়টি নিয়ে সচেতন। কিছু হাসপাতালে নতুন ভবনের অনুমোদন হয়েছে, কোথাও নির্মাণ চলছে, আবার কোথাও ধাপে ধাপে সংস্কারের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে এই জবাবে সন্তুষ্ট হননি মৈথিলী ঠাকুর। তিনি বলেন, বছরের পর বছর তালিকায় নাম থাকলেও তাঁর এলাকার হাসপাতালে আজও কোনও কাজ শুরু হয়নি।
আরও পড়ুন: Iran Suicide: আক্রমণ করুন আপোস নয়, ট্রাম্পকে আবেদন করে ভিডিও, তারপরই আত্মঘাতী ইরানি যুবক
টেবিল চাপড়ে সমর্থন বিরোধীদের (Maithili Annoyed)
এই বিতর্কে সভার পরিবেশ কিছুক্ষণের জন্য উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিরোধীরা টেবিল চাপড়ে সমর্থন জানায়, শাসকদলের একাংশ অস্বস্তিতে পড়ে। স্পিকারকে হস্তক্ষেপ করতে হয়। এই বিতর্কের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই বহু মানুষ মৈথিলী ঠাকুরের প্রশংসা করেন।



