Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ২০০৮ সালে ইন্দোনেশীয়-আমেরিকান মডেল মানোহারা ওডেলিয়া পিনো ও মালয়েশিয়ার কেলান্তান রাজ্যের সুলতানের পুত্র রাজপুত্র তেংকু মুহাম্মদ ফাখরির ‘রাজকীয়’ বিয়ে আবারও আলোচনায় উঠে এসেছে(Malayasia)। সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে পিনো অভিযোগ করেন, ওই বিয়ের সময় তিনি নিয়মিত যৌন নির্যাতন ও শারীরিক শাস্তির শিকার হন।
‘বিয়ে অবৈধ এবং সম্মতিহীন’ (Malayasia)
বর্তমানে ৩৩ বছর বয়সী পিনোর দাবি, বিয়ের সময় তার বয়স ছিল মাত্র ১৬ বছর যা আইনত অবৈধ এবং সম্মতিহীন। তিনি বলেন, এই সম্পর্ক ছিল জোরপূর্বক এবং এতে ধারাবাহিক যৌন, মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি মিডিয়ায় তাকে ‘প্রাক্তন স্ত্রী’ হিসেবে উল্লেখ করার বিরোধিতা করেন। তার মতে, এ ধরনের শব্দচয়ন একটি বৈধ ও সম্মতিসূচক সম্পর্কের ইঙ্গিত দেয়, যা বাস্তবতাকে বিকৃত করে।
অভিযোগ অস্বীকার রাজপুত্রের (Malayasia)
এর আগে এক ইন্দোনেশীয় টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পিনো বলেছিলেন, “যৌন নির্যাতন আমার দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে গিয়েছিল।” তার মা ডেইজি ফাজারিনার দাবি, মেয়েকে দেখতে তাকে বাধা দেওয়া হয়েছিল এবং পিনোকে কার্যত অপহরণ করা হয়। তবে রাজপুত্র ফাখরি সব অভিযোগ অস্বীকার করে এগুলোকে “বড় মিথ্যা” বলে অভিহিত করেন।
পালিয়ে ইন্দোনেশিয়ায় ফেরেন পিনো (Malayasia)
২০০৯ সালে সিঙ্গাপুরে একটি হোটেল থেকে নাটকীয়ভাবে পালিয়ে ইন্দোনেশিয়ায় ফেরেন পিনো। তার ভাষ্য অনুযায়ী, মা, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের সহায়তায় তিনি দেশে ফিরতে সক্ষম হন। পরে তিনি জাকার্তায় মালয়েশীয় রাজপুত্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।
আরও পড়ুন: Iran: ইরানের অর্থনৈতিক সংকট ও বিক্ষোভের আবহ: পরিস্থিতি সামাল দিতে আর্থিক সহায়তার ঘোষণা সরকারের
‘প্রেমের সম্পর্ক বা বৈধ বিয়ে নয়’ (Malayasia)
ইনস্টাগ্রাম পোস্টে পিনো বলেন, এটি কোনো প্রেমের সম্পর্ক বা বৈধ বিয়ে ছিল না, বরং শিশু বিবাহ ও জবরদস্তির একটি উদাহরণ। তিনি সাংবাদিকদের আরও দায়িত্বশীল ও নৈতিক ভাষা ব্যবহারের আহ্বান জানান। অন্যদিকে, রাজপুত্রের আইনজীবী জানিয়েছেন, তার মক্কেল সব অভিযোগ দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করেন এবং বিষয়টিকে ব্যক্তিগত বলে উল্লেখ করেন।



