Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: এসআইআর প্রক্রিয়ার আড়ালে সাধারণ মানুষের (Mamata Banerjee) গণতান্ত্রিক অধিকার ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা চলছে-এই অভিযোগ তুলে ফের কেন্দ্র ও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গঙ্গাসাগর মেলার মঞ্চ থেকে তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, ভোটাধিকার নিয়ে কোনও রকম আপোস রাজ্য সরকার মেনে নেবে না। তাঁর বক্তব্যে বারবার উঠে আসে মানুষের অধিকার রক্ষার প্রশ্ন এবং সেই অধিকার খর্ব হলে আইনি লড়াইয়ের বার্তা।
এসআইআর সম্পূর্ণ অস্বচ্ছ এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত (Mamata Banerjee)
মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, এসআইআর-এর নামে যে প্রক্রিয়া (Mamata Banerjee) চালানো হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ অস্বচ্ছ এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাঁর মতে, এর ফলে লক্ষ লক্ষ বৈধ ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, “গণতন্ত্রে ভোট দেওয়ার অধিকার সবচেয়ে মৌলিক অধিকার। সেই অধিকার যদি কেড়ে নেওয়া হয়, তাহলে মানুষ চুপ করে বসে থাকবে না।” এই প্রসঙ্গে তিনি কেন্দ্র এবং নির্বাচন কমিশনের মধ্যে ‘অশুভ আঁতাত’-এর অভিযোগও তোলেন।

নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কটাক্ষ (Mamata Banerjee)
নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কটাক্ষ করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee) বলেন, এখন নাকি কমিশনের কাজকর্ম হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে চলছে। লিখিত নির্দেশিকা বা স্বচ্ছ নিয়ম না মেনে শুধুমাত্র ডিজিটাল বার্তার উপর ভরসা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর কথায়, “হোয়াটসঅ্যাপ কিনে নিয়েছে নাকি কে জানে! কিন্তু এভাবে মানুষের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করা চলতে পারে না।” এই ধরনের প্রক্রিয়া রাজ্যের মানুষ বরদাস্ত করবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানান, এই ইস্যুতে রাজ্য সরকার খুব শীঘ্রই আদালতের দ্বারস্থ হবে। তিনি বলেন, আদালত খুললেই এই বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। শুধু সরকারিভাবে নয়, প্রয়োজনে তিনি নিজেও সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে মানুষের হয়ে কথা বলতে প্রস্তুত। তবে আইনজীবী হিসেবে নয়, একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবেই তিনি আদালতে সওয়াল করতে চান বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, “আমি সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বর তুলে ধরতে চাই। যাঁরা হেনস্থার শিকার হচ্ছেন, তাঁদের হয়ে কথা বলাই আমার দায়িত্ব।”


