Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: নদিয়ার কৃষ্ণনগরে জনসভায় কেন্দ্র ও বিজেপিকে একাধিক (Mamata Banerjee) ইস্যুতে তীব্র আক্রমণ শানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার দুপুরে কৃষ্ণনগর গভর্নমেন্ট কলেজের মাঠে সভা করেন তিনি। তার আগে জেলার উন্নয়ন এবং প্রশাসনিক কাজের অগ্রগতি নিয়ে শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী।
কমিশনকে নিশানা (Mamata Banerjee)
সভামঞ্চে উঠে প্রথমেই তিনি কমিশনকে নিশানা (Mamata Banerjee) করেন। অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচন কমিশন নাকি বিজেপির তৈরি তালিকা অনুযায়ী ভোট করাতে চাইছে। তাঁর কটাক্ষ, “যা ইচ্ছে করুন, আমাদের কিছুই আটকাতে পারবেন না।” এরপরেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে উদ্দেশ্য করে মুখ্যমন্ত্রী তোপ দাগেন। তাঁর মন্তব্য, বিএসএফকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা হচ্ছে। এমনকি ব্যঙ্গ করে বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এক চোখে যেন দুর্যোধন, আর অন্য চোখে দুঃশাসন

এসআইআর নিয়েও সরব (Mamata Banerjee)
ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন-এসআইআর নিয়েও (Mamata Banerjee) সরব হন তিনি। আধার কার্ড যেহেতু ব্যাংকে বা প্যানের ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক, তবে নাগরিকত্ব ও ভোটাধিকার নির্ধারণে কেন তা মেনে নেওয়া হয় না, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, বিজেপির স্বার্থেই এভাবে নিয়ম বদলের চেষ্টা চলছে।
কেন্দ্রকে নিশানা
সভায় ১০০ দিনের কাজ বন্ধ করা নিয়ে কেন্দ্রকে নিশানায় নেন মমতা। তিনি স্পষ্ট জানান, কেন্দ্রীয় বরাদ্দ না পেলেও রাজ্য নিজস্ব অর্থে প্রকল্পটি চালিয়ে যাবে। কেন্দ্রের প্রতি তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, “আমরা কোনও ভিক্ষা চাই না। ভাল কাজ করেও পশ্চিমবঙ্গ বঞ্চিত হচ্ছে।”

প্যাটিস বিক্রেতার ওপর হামলার প্রসঙ্গ
সম্প্রতি ব্রিগেডে প্যাটিস বিক্রেতার ওপর হামলার প্রসঙ্গেও মুখ খোলেন মুখ্যমন্ত্রী। জানান, অভিযুক্তদের সবাইকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁর মন্তব্য, “এটা বাংলা-উত্তরপ্রদেশ নয়। এখানে আইন নিজের পথে চলবে।”
আরও পড়ুন: Indigo Issue: উড়ান বিভ্রাটে দিশেহারা যাত্রীরা, ইন্ডিগো সিইও-কে তলব করল ডিজিসিএ
ডিটেনশন ক্যাম্প
ডিটেনশন ক্যাম্প নিয়ে আবারও স্পষ্ট অবস্থান জানান তিনি। বলেন, রাজ্যে কোনও ভাবেই ডিটেনশন ক্যাম্প তৈরি করতে দেওয়া হবে না। গীতাপাঠকে কেন্দ্র করে বিজেপির প্রচার নিয়েও কটাক্ষ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, “গীতাপাঠ আমরা সবাই করি। তা বলে কেন জনসভা করে দেখাতে হবে!”


