Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: সোমবার সকাল থেকেই আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সকাল হতে না হতেই বঙ্গভবনের সামনে দিল্লি পুলিশের বাড়তি তৎপরতা, ব্যারিকেড, আটক করার বাস-সব মিলিয়ে উত্তপ্ত পরিস্থিতির আবহ তৈরি হয়। সেই পরিস্থিতির মাঝেই রাস্তায় নেমে সরাসরি প্রতিবাদে সামিল হন মমতা। হেইলি রোডে বঙ্গভবনের সামনে দাঁড়িয়ে একের পর এক প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন তিনি, প্রশ্ন তুলেছেন দিল্লি পুলিশের ভূমিকা নিয়েও।
মমতার অভিযোগ (Mamata Banerjee)
মমতার (Mamata Banerjee) অভিযোগ, বাংলা থেকে আসা এসআইআর-এ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকেই লক্ষ্য করে হেনস্থা করা হচ্ছে। তাঁর দাবি, যাঁরা জীবিত, তাঁদের মৃত দেখানো হয়েছে-এমন অন্তত ৫০টি পরিবার রয়েছে। আবার এমনও বহু পরিবার আছে, যাঁদের পরিজনের মৃত্যু হয়েছে এসআইআর সংক্রান্ত সমস্যার জেরে। অথচ তাঁদেরই দিল্লিতে এসে জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়তে হচ্ছে। এই প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “দিল্লিতে গরিব মানুষের কোনও জায়গা নেই।”

প্রতিবাদের ভাষা আরও তীব্র (Mamata Banerjee)
প্রতিবাদের ভাষা আরও তীব্র হয় পুরনো (Mamata Banerjee) বঙ্গভবনের সামনে দাঁড়িয়ে। সেখানেও দিল্লি পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। যদিও সঙ্গে এটাও স্পষ্ট করেন, ব্যক্তিগতভাবে পুলিশের বিরুদ্ধে তাঁর অভিযোগ নেই, বরং নির্দেশদাতাদের দিকেই তাঁর আঙুল। সাংবাদিকদের উদ্দেশে ক্যামেরা ঘোরানোর নির্দেশ দিয়ে তিনি ব্যারিকেড, পুলিশের বাস ও অতিরিক্ত নিরাপত্তা দেখানোর অনুরোধ করেন। এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে হাঁটতে হাঁটতেই তাঁর কণ্ঠে শোনা যায়, “এখানে জমিদারি চলছে।”

আরও পড়ুন: Gold Rate: সোনার দামে বড় পতন, এর পেছনে কারণ কী?
এর আগেই এসআইআর ইস্যুতে দিল্লিতে আন্দোলনের কথা জানিয়েছিলেন মমতা ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই অনুযায়ী রবিবার দিল্লিতে পৌঁছে বঙ্গভবনে ওঠেন মুখ্যমন্ত্রী। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদেরও রাখা হয়েছে সেখানেই। সোমবার সকালে হঠাৎ বঙ্গভবনের বাইরে রাস্তা বন্ধ, বাস এনে দাঁড় করানো ঘিরে শুরু হয় জল্পনা।


