Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: চল্লিশের কোঠায় পা দিতেই (Men Hair Loss) অনেকের মধ্যেই দেখা যায় এক সাধারণ অথচ দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে ওঠা একটি সমস্যা-চুল পড়া। মাথার সামনের অংশে টাক পড়া শুরু হয়, চুল পাতলা হয়ে যায়, এমনকি দাড়িতেও পাক ধরা শুরু করে। কারও ক্ষেত্রে আবার এতটাই দ্রুত টাক পড়ে যায় যে আয়নায় নিজেকে দেখে হতাশা বাড়ে। একসময়ের ঘন কালো চুল যদি হঠাৎ কমতে থাকে, তা হলে মন খারাপ হওয়াটা খুবই স্বাভাবিক।
চুল পড়ার পেছনে রয়েছে বেশ কিছু কারণ (Men Hair Loss)
এই বয়সে চুল পড়ার পেছনে রয়েছে বেশ (Men Hair Loss) কিছু কারণ। তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল জিনগত প্রভাব। পরিবারে যদি বাবার বা কাকাদের টাক পড়ার প্রবণতা থাকে, তাহলে উত্তরসূরির ক্ষেত্রেও সেই ঝুঁকি থেকেই যায়। এছাড়াও অ্যান্ড্রোজেন নামের পুরুষ হরমোনের ভারসাম্যহীনতা চুলের গোড়া দুর্বল করে দেয়, যাকে চিকিৎসা পরিভাষায় বলে অ্যান্ড্রোজেনিক অ্যালোপেসিয়া।
চুলের স্বাস্থ্যে ব্যাপক প্রভাব ফেলে (Men Hair Loss)
এই বয়সে মানসিক চাপ, দীর্ঘদিনের অনিয়মিত (Men Hair Loss) জীবনযাপন, ভিটামিন ও খনিজের ঘাটতি-বিশেষ করে আয়রন, জ়িঙ্ক, বায়োটিন, ও ভিটামিন ডি’র অভাব-চুলের স্বাস্থ্যে ব্যাপক প্রভাব ফেলে। সঙ্গে যদি থাকে ধূমপান, অতিরিক্ত মদ্যপান বা অতিরিক্ত প্রসেসড খাবার খাওয়ার অভ্যাস, তাহলে মাথার ত্বকে ঠিকমতো পুষ্টি পৌঁছায় না, ফলে চুল দুর্বল হয়ে ঝরে পড়ে।
চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ
এছাড়াও, চুলের ভুল যত্ন যেমন ভেজা অবস্থায় জোরে আঁচড়ানো, হিট ড্রায়ার বা স্টাইলিং প্রোডাক্টের অতিরিক্ত ব্যবহার, অথবা ঘন ঘন হেয়ার ডাই করা চুল পড়ার প্রবণতা বাড়িয়ে তোলে। এই সমস্যার সমাধানে রয়েছে কিছু আধুনিক চিকিৎসা। যেমন, মিনোক্সিডিল নামক ওষুধ চুল গজাতে সহায়তা করে। এটি দিনে দু’বার প্রয়োগ করলে অনেকেই উপকার পান। তবে দীর্ঘদিন ব্যবহারে ত্বকে চুলকানি বা মুখে লোম গজানোর মতো কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও দেখা দিতে পারে। ফিনাস্টেরাইড নামক ওষুধও চিকিৎসকের পরামর্শে নেওয়া যেতে পারে।
আরও পড়ুন: Breast Cancer: স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে আশার আলো, নতুন ভ্যাকসিনের পথে যুগান্তকারী পদক্ষেপ!
চুল প্রতিস্থাপন
চুল প্রতিস্থাপনও একটি বিকল্প, তবে এতে খরচ তুলনামূলকভাবে বেশি। এছাড়া লেজ়ার থেরাপি বা লেজ়ার ক্যাপ/চিরুনি ব্যবহারের মাধ্যমে হেয়ার ফলিকল উদ্দীপিত করে নতুন চুল গজানোর পদ্ধতিও বর্তমানে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। তবে সবার আগে প্রয়োজন স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন। পাতে রাখতে হবে প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার যেমন মাছ, ডিম, চিকেন, পাশাপাশি শাকসবজি, বাদাম ও ফল। ধূমপান-মদ্যপান এড়িয়ে চলা, পর্যাপ্ত ঘুম, কম স্ট্রেস এবং চুলের নিয়মিত যত্নই পারে চল্লিশের পরেও আপনাকে দিতে ঘন সুন্দর চুলের আত্মবিশ্বাস।


