Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: কর্নাটকের এক জনপ্রিয় শপিং মলে (Metro Mall Fire) ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘিরে তীব্র আতঙ্ক ছড়াল শুক্রবার। মারাঠা গলিতে অবস্থিত সুখসাগর মেট্রো মলে আচমকাই আগুন লাগে, যা অল্প সময়ের মধ্যেই ভয়ঙ্কর আকার নেয়। আগুনের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে দূর থেকেও কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যাচ্ছিল। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ভিডিও দেখে অনেকেরই শিউরে উঠছে। দাউ দাউ করে জ্বলছে পুরো তলা, আগুনের লেলিহান শিখা গ্রাস করছে একের পর এক দোকান।
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত কোন অংশ? (Metro Mall Fire)
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, মলের চতুর্থ ও পঞ্চম তলা সবচেয়ে (Metro Mall Fire) বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ওই অংশে থাকা একাধিক রিটেল শপ, আসবাবপত্রের শোরুম ও পোশাকের দোকান সম্পূর্ণভাবে আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। আগুন এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। তবে স্থানীয় প্রশাসন ও মল কর্তৃপক্ষের তৎপরতায় বড়সড় দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
প্রাণহানি না হওয়ায় কিছুটা স্বস্তি (Metro Mall Fire)
সংবাদ সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ভয়াবহ ঘটনার মধ্যেও এখন পর্যন্ত কোনও (Metro Mall Fire) হতাহতের খবর নেই। প্রাণহানি না হওয়ায় কিছুটা স্বস্তি মিললেও, সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ যে কম নয়, তা বলাই বাহুল্য। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বহু ব্যবসা কার্যত ধ্বংস হয়ে গিয়েছে, যা সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের জন্য বড় ধাক্কা।

আগুনের সঙ্গে লড়াই
ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল বাহিনী। একাধিক ইঞ্জিন নিয়ে আগুন নেভানোর কাজ শুরু হয়। প্রায় তিন ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে দমকলকর্মীরা আগুনের সঙ্গে লড়াই চালান। আগুনের তীব্রতা বেশি থাকায় কাজ সহজ ছিল না। আশপাশের এলাকা থেকেও অতিরিক্ত দমকল বাহিনী ডাকা হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে স্থানীয় মানুষজনও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন।
আরও পড়ুন: Kolkata Metro Rail: সরস্বতী পুজোয় মেট্রোর সময় বদল, পাওয়া যাবে বাড়তি পরিষেবা!
নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার
ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান পুলিশ কমিশনার এন. শশীকুমার। তিনি গোটা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন এবং উদ্ধার ও আগুন নেভানোর কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজ নেন। তাঁর নেতৃত্বেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়, যাতে আগুন অন্য অংশে বা আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে না পড়ে।
অগ্নিকাণ্ডের কারণ
এই অগ্নিকাণ্ডের কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। শর্ট সার্কিট না অন্য কোনও প্রযুক্তিগত ত্রুটির জেরে আগুন লেগেছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে প্রশাসন। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রকৃত কারণ জানা যাবে না বলে জানিয়েছে পুলিশ।


