Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: অভিনেত্রী নবনীতা মালাকারের (Nabanita Malakar) কাছে পুজোর মানে শুধু ঢাকের তালে মণ্ডপে মণ্ডপে ঘোরা নয়, বরং একান্তে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো। তাঁর বাড়ি জলপাইগুড়িতে। নবনীতার কথায় “পুজো মানেই জলপাইগুড়ি”। সারাবছর কাজের ব্যস্ততা থাকলেও, পুজোর কটা দিন তিনি একেবারেই জলপাইগুড়ির বাড়িতেই থাকতে ভালোবাসেন। পুজোতে কী করেন ? কাদের সাথে ঠাকুর দেখতে যান ? কী খেতে ভালোবাসেন ? কোন স্ট্রিট ফুড তাঁর সবচেয়ে প্রিয়? নানান কথা নবনীতা শেয়ার করে নিলেন ট্রাইব টিভির সাক্ষাৎকারে।
কাদের সাথে ঠাকুর দেখতে ভালোবাসেন? (Nabanita Malakar)
নবনীতার পাড়ার ক্লাবে পুজো হয়, সেখানেই অঞ্জলি, ঠাকুর দেখা, সব মিলিয়ে উৎসবের আনন্দটা ওখানেই উপভোগ করেন তিনি। বড় বড় প্যান্ডেলে ঘোরা বা ভিড় ঠেলে মণ্ডপ হপিং এসব অভিনেত্রীর একেবারেই ভালো লাগে না। বরং এখনও তিনি বাবা-মায়ের হাত ধরে ঠাকুর দেখতে বেরোতে ভালোবাসেন (Nabanita Malakar)।
ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ব্যস্ত
বর্তমানে বন্ধু-বান্ধব খুব একটা নেই নবনীতার। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি একটু শান্ত স্বভাবের। ভিড়ভাট্টা পছন্দ নয় । আর সে কারণেই পুজোর সময় ঠাকুর দেখতে বেরোন তখন, যখন রাস্তায় মানুষজন কম থাকে। নবমীর রাত, বা বিকেলের ফাঁকা সময়টাই তিনি বেছে নেন মা, বাবা ও বোনের সঙ্গে ঠাকুর দেখতে বেরোনোর জন্য।
পোশাক নিয়ে নেই কোনও পরিকল্পনা
ড্রেস নিয়ে খুব একটা পরিকল্পনা করেন না নবনীতা মালাকার (Nabanita Malakar)। কোন দিন কি পরবেন, তা আগে থেকে ভাবেন না। তবে পুজোর দিনে অঞ্জলি দিতে গেলে শাড়ি পরেন। তাঁর প্রিয় শাড়ি লাল-সাদা, একদম সাদামাটা। নবনীতা বলেন, মেকআপ তাঁর একেবারেই পছন্দ নয়। খুব সাধারণ ভাবে থাকতে পছন্দ করেন তিনি।
পছন্দের খাবার
খাওয়া-দাওয়া নিয়েও অভিনেত্রীর আলাদা পছন্দ আছে। নবনীতা বলেন (Nabanita), “পুজোর কটা দিন ডাল-ভাত, আলু ভাজা, টার্কি মাছের বাটা, কাজুলি মাছ – এইসব খেতে খুব ভালো লাগে। সঙ্গে শাকপাতা তো থাকেই।” এত সাদামাটা খাবারের মধ্যেই তাঁর সবচেয়ে বড় আনন্দ। তবে নবনীতার একটা আলাদা পছন্দের কথা বলতেই হয় – রাস্তার দোকানের চাউমিন! পুজোর কটা দিনে সুযোগ পেলেই তিনি পরিবারের সঙ্গে রাস্তায় চাউমিন খেতে চলে যান।

আরও পড়ুন: Rahul-Debadrita: পুজোয় অসহায়দের পাশে রাহুল-দেবাদৃতা, দিলেন বিশেষ উপহার
প্রিয় মানুষকে পাশে পাওয়া
নবনীতা (Nabanita) মনে করেন, পুজোর আসল আনন্দটা তখনই আসে যখন প্রিয় মানুষগুলো পাশে থাকে। তিনি বলেন, “যেখানে মা, বাবা আর বোন থাকবে, সেই পুজোটাই আমার কাছে স্পেশাল।”
আলো, মণ্ডপ, শাড়ি, খাবার, ঠাকুর দেখা – সবই আছে নবনীতার পুজোয়, তবে সবটাই খুব সাদামাটা, খুব নিজের মতো করে। তাঁর চোখে পুজো মানে বাহারি নয়, বরং পরিবার ও আপনজনদের সঙ্গে কাটানো একটুকরো শান্তি আর ভালোবাসার সময় (Nabanita Malakar)।


