Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: পশ্চিমবঙ্গের ২০২৬ বিধানসভা ভোটকে সামনে (Narendra Modi) রেখে বিজেপি এবার প্রচারের ধরন বদলাতে চলেছে। দিল্লি থেকে পাওয়া ইঙ্গিত বলছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রাজ্যে যে সব সভা করবেন, তা হবে সীমিত সংখ্যায়-কিন্তু প্রভাববিস্তারী। বিজেপি সংগঠনের মতে, দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক মুখকে অতিরিক্ত ব্যবহার না করে তার ‘মহিমা’ অটুট রাখাটাই এই কৌশলের কেন্দ্রে।
মোদীর ভোট-অভিযান (Narendra Modi)
দলীয় সূত্রের খবর, ডিসেম্বর থেকেই বাংলায় মোদীর ভোট-অভিযান (Narendra Modi) শুরু হতে পারে। সংসদের শীতকালীন অধিবেশনের মাঝপথে কোনও ছুটির দিনে তাঁর প্রথম জনসভা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সূচনা থেকে প্রচারের শেষপর্ব পর্যন্ত মোটামুটি ১৪-১৫টি সভার পরিকল্পনা করা হয়েছে। নির্বাচন ঘোষণা হতে এখনও কয়েক মাস বাকি। পুরো ভোটপর্ব জুড়ে প্রচারের সময়সীমা প্রায় পাঁচ মাস ধরে চলতে পারে বলে ধরে নিলে, এই ক’টি সভাই হবে মোদীর উপস্থিতির মূল ভরকেন্দ্র।

রাজনৈতিক সমীকরণ বদলানো যায়নি (Narendra Modi)
২০২১ সালের তুলনায় এই সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কম। তখন রাজ্য জুড়ে মোদীর সভার বন্যা বইয়ে দেওয়ার কৌশল নেওয়া হয়েছিল। ব্রিগেড থেকে শুরু করে ব্লক স্তর পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীকে একাধিক জনসভা, রোড শো, প্রচার কর্মসূচিতে ব্যবহার করা হয়। ‘কার্পেট বম্বিং’ নাম দিয়ে সেই প্রচাররীতি বর্ণনা করেছিলেন দলের একাংশ। কিন্তু বহুসংখ্যক সভার চাপের মধ্যেও রাজনৈতিক সমীকরণ বদলানো যায়নি। ফলে পরে দলের ভিতরেই প্রশ্ন উঠেছিল-প্রধানমন্ত্রীকে এত ঘন ঘন প্রচারে আনা কি ঠিক হয়েছিল?

আরও পড়ুন: Kabaddi World Cup 2025: বিশ্বমঞ্চে আবারও সেরার সেরা মেয়েরা…
বক্তব্যের গ্রহণযোগ্যতা
শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিভিন্ন রাজ্যের নির্বাচনে বিজেপি একই ধরনের সংযত কৌশল গ্রহণ করেছে। মহারাষ্ট্র বা হরিয়ানার মতো গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যেও আগের তুলনায় কম সভা করেছেন মোদী, অথচ দল ক্ষমতা ধরে রাখতে পেরেছে। বিজেপির এক অভিজ্ঞ নেতা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, এত বড় মাপের নেতা একই কথা বারবার বললে তার অভিঘাত কমে যায়। কম সংখ্যক জনসভা করলে প্রতিটি বক্তব্যের গ্রহণযোগ্যতাও বাড়ে, আর তা সংগঠনের নীচুতলার কর্মীদের মুখে প্রতিধ্বনির মতো ছড়িয়ে পড়তে সুবিধা হয়।


