Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: গত মাসে জেনজি আন্দোলনে প্রতিবেশী দেশ নেপাল (Nepal Protest) অস্থিরতায় কেঁপে ওঠে। রাজধানী কাঠমান্ডুসহ দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে বিক্ষোভ। বিভিন্ন সরকারি অফিস, মন্ত্রীদের বাড়ি ও গাড়িতে ভাঙচুর–অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।
পদত্যাগ করেন প্রধানমন্ত্রী (Nepal Protest)
পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে সেনাপ্রধান দ্রুত দেশের নিয়ন্ত্রণ (Nepal Protest) নেন। পদত্যাগ করেন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি। পরবর্তীতে আন্দোলন কিছুটা স্তিমিত হলে গঠিত হয় একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। দায়িত্ব নেন নেপালের সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি সুশীলা কার্কি।

কেপি শর্মা ওলির স্পষ্ট বার্তা (Nepal Protest)
এসময় সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে-বাংলাদেশের মতো নেপালেও (Nepal Protest) প্রধানমন্ত্রী দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছেন। তবে সেই জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে আন্দোলন প্রশমিত হওয়ার পরই জনসমক্ষে ফিরে আসেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ওলি। সরকারি বাসভবন ছেড়ে কাঠমান্ডুর একটি ভাড়া বাড়িতে ওঠেন তিনি এবং সেখান থেকেই দলের কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে দেখা করতে শুরু করেন। স্পষ্ট বার্তা দেন-তিনি দেশ ত্যাগ করেননি।
আরও পড়ুন: Mallikarjun Kharge: মালবাজার ও মেমারিতে BLO-র মৃত্যু, খাড়গের পোস্টে উত্তাল রাজনীতি!
এদিকে সীমান্তবর্তী সিমরা বিমানবন্দরের কাছে টানা কয়েকদিন পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনাও সামনে আসে। ওই এলাকায় জারি করতে হয় কারফিউ। তবুও রাজধানীতে ভিন্ন ছবি—ইউএমএএল কর্মী-সমর্থকদের একের পর এক মিছিল ও সমাবেশ। বেশ কয়েকটিতে সরাসরি যোগ দেন কেপি শর্মা ওলি নিজেও।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, গণতন্ত্র অক্ষুণ্ণ রাখতে নেপালে খুব শিগগিরই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। আর সেই সম্ভাবনা মাথায় রেখে আবারও সংগঠনকে শক্তিশালী করার পথে হাঁটছেন ওলি-লক্ষ্য একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন।


