Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ফুচকার নাম শুনলেই জিভে (Panipuri History) জল আসে। সেদ্ধ আলু, ছোলা, কাঁচা লংকা আর নানা মশলা মেখে ছোট গোল পুরির ভেতর ভরে তার সঙ্গে তেঁতুলের টক জল-এই সহজ উপকরণেই তৈরি হয় দেশের অন্যতম জনপ্রিয় স্ট্রিট ফুড। পশ্চিমবঙ্গে একে ফুচকা বলা হলেও, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এর নাম গোলগাপ্পা, পানিপুরী, গুপচুপ বা ফুলকি।
মগধ সাম্রাজ্যে প্রথম ফুচকা তৈরি (Panipuri History)
তবে এই প্রিয় খাবারের উৎপত্তি নিয়ে রয়েছে নানা (Panipuri History) গল্প। অনেক ইতিহাসবিদের মতে, প্রাচীন মগধ সাম্রাজ্যে প্রথম ফুচকা তৈরি হয়। সে সময়ের রাজধানী ছিল পাটলিপুত্র, যা বর্তমানে পাটনা নামে পরিচিত। ধারণা করা হয়, লিট্টি-চোখার মতো জনপ্রিয় খাবারের পাশাপাশি ওই অঞ্চলে চালের গুঁড়ো দিয়ে ছোট পুরি বানানোর চল শুরু হয়। সেখান থেকেই ধীরে ধীরে ফুচকার জন্ম। যদিও কে প্রথম এটি বানিয়েছিলেন, তার নির্দিষ্ট তথ্য ইতিহাসে পাওয়া যায় না।

লোককথা (Panipuri History)
অন্যদিকে, একটি জনপ্রিয় লোককথা ফুচকার সঙ্গে জুড়ে দেয় মহাভারতের কাহিনি। বিশ্বাস করা হয়, পাণ্ডবদের বনবাসের সময়ে দ্রৌপদীই প্রথম এই খাবার তৈরি করেন। মহাভারতে দ্রৌপদীর রান্নার দক্ষতার উল্লেখ রয়েছে। এমনকি ভালো রাঁধুনিকে আজও অনেক সময় ‘রন্ধনে দ্রৌপদী’ বলা হয়।

আরও পড়ুন: Modi AI Glass: দিল্লির এআই সামিটে স্মার্ট চশমা পরে চমক, কালো চশমায় নজর কাড়লেন মোদি
দ্রৌপদীর রান্না
লোককথা অনুযায়ী, বিয়ের পর শ্বশুরবাড়িতে এসে কুন্তী দ্রৌপদীকে নতুন একটি পদ রান্না করতে বলেন। তখন তাঁদের ঘরে উপকরণ ছিল খুবই সামান্য। সেই সীমিত সামগ্রী দিয়েই দ্রৌপদী ছোট পুরির মধ্যে সবজি ভরে এক নতুন স্বাদের খাবার তৈরি করেন। পাণ্ডবরা সেই পদ খেয়ে খুবই খুশি হন। কুন্তী নাকি আশীর্বাদ করেছিলেন, এই খাবার চিরকাল জনপ্রিয় থাকবে।

যদিও এই কাহিনির ঐতিহাসিক প্রমাণ নেই, তবু ফুচকাকে ঘিরে এমন গল্প আজও মানুষের মুখে মুখে ঘোরে। হাজার বছর পেরিয়েও ফুচকার জনপ্রিয়তা আজও অটুট।


