Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: চারদিকে পার্থদা জিন্দাবাদ (Partha Chatterjee) স্লোগান। এতটাও বুঝি ভাবেনননি। প্রায় তিনবছরের উপরে জেলজীবন বাস্তবের অনেক কিছুর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে। জেনে গিয়েছেন ক্ষমতা থাকলেই আশেপাশে মানুষ ঘোরে, ক্ষমতা হারালেই চারপাশ ফাঁকা হয়ে আসে। কিন্তু জেলে থেকে বেরিয়ে অনুগামীদের ভালবাসায় বাধা পড়বেন বলে ভাবেননি প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়।
অনুগামীদের স্লোগানে কেঁদে ফেললেন পার্থ (Partha Chatterjee)
জেলমুক্তির নির্দেশ হয়ে গিয়ে ছিল (Partha Chatterjee) সোমবার। মঙ্গলবার দুপুরে মুক্ত হলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। দুপুর ২টো ২০ নাগাদ বাইপাস সংলগ্ন হাসপাতাল থেকে হুইলচেয়ারে বাইরে বেরিয়ে এলেন তিনি। তিনি বেরিয়ে আসতেই হাসপাতাল চত্বরে আগে থেকে ভিড় করা অনুগামীরা স্লোগান তোলেন। এই দৃশ্য দেখেই আবেগতাড়িত হয়ে পড়েন রাক্তন মন্ত্রী। কেঁদে ফেলেন তিনি। যদিও সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের উত্তরে কিছু বলেননি তিনি।
পার্থকে নিয়ে বাড়ি ফিরলেন অনুগামীরা (Partha Chatterjee)
নীল-সাদা ফুলছাপ পাঞ্জাবি পরে বাইরে বেরোন (Partha Chatterjee) পার্থ। তাঁর মুখে ছিল নীলরঙা মাস্ক। আগে থেকেই প্রস্তুত ছিল গাড়ি। চালকের পাশের আসনে বসে নাকতলার বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন পার্থ। গাড়ির সঙ্গেই ছুটতে থাকেন পার্থ-অনুগামীরা। ভিতরে বসে হাত জোড় করে নমস্কার জানাতে দেখাতে যায় তাঁকে। পার্থকে বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যেতে সকাল থেকেই তাঁর বহু অনুগামী বাইক নিয়ে হাসপাতালে গিয়েছিলেন। পার্থের গাড়ির পিছনে বাইক নিয়ে নাকতলা যান তাঁর।
আরও পড়ুন: Rashid Khan: একসঙ্গে দুই স্ত্রীর সঙ্গে ঘর করছেন রশিদ খান?
দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়ার পর রেহাই
তিন বছর তিন মাস ১৯ দিন পর নিজের বাড়িতে ফিরলেন পার্থ। নিয়োগ মামলায় ২০২২ সালের ২৩ জুলাই কলকাতার নাকতলার বাড়ি থেকে পার্থকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্ট কয়েক মাস আগেই বলে দেয় সিবিআইয়ের মামলায় বিচারপর্ব শুরু হলেই পার্থ, সুবীরেশ ভট্টাচার্য ও উপদেষ্টা শান্তিপ্রসাদ সিংহের শর্তাধীন জামিন মঞ্জুর করা যাবে। ১৪ নভেম্বরের মধ্যে প্রথম পর্যায়ের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ করে চূড়ান্ত জামিন মঞ্জুর করার নির্দেশও দেয় শীর্ষ আদালত। সেই মত সোমবার মামলায় আটজন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। এরপর আলিপুরের বিশেষ সিবিআই আদালতের বিচারক পার্থকে জেলমুক্ত করার নির্দেশ দেন। আদালতের নথি পৌঁছায় প্রেসিডেন্সি জেল কর্তৃপক্ষের কাছে। সেখান থেকে নথি যায় হাসপাতালে।


