Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ২০০ প্লাস রান তাড়া করে দ্বিতীয় ম্যাচেও জয় ছিনিয়ে নিলো পাঞ্জাব (PBKS)।
টানা দুই ম্যাচে হার চেন্নাইয়ের (PBKS)
আবারও বড় রান তাড়া করে অবলীলায় ম্যাচ জিতে নিলো পাঞ্জাব। ২০০-র বেশি রান তাড়া করে পরপর দুই ম্যাচে জয় পেয়ে এই মুহূর্তে আত্মবিশ্বাসে ভরপুর পাঞ্জাব। বড় লক্ষ্য মাত্রা তাড়া করে ধারাবাহিক জয় প্রভাব আরও শক্তিশালী করল পাঞ্জাবের। এই মুহূর্তে পাঞ্জাব একমাত্র দল যারা আইপিএল-এর ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বার ২০০+ রান তাড়া করে জয় পেয়েছে। অন্য দিকে ধোনিবিহীন চেন্নাই সুপার কিংস দ্বিতীয় ম্যাচেও হারল, তও আবার খুব বাজে ভাবে (PBKS)।
শুক্রবার নিজেদের ঘরের মাঠে বোলিং ব্যর্থতার কারণে হারতে হলো চেন্নাইকে। এই ম্যাচে আয়ুষ মাত্রের ঝোড়ো ইনিংস এবং শেষে সরফরাজ খানের ক্যামিও বড় রান তুলতে সাহায্য করলেও জোট সেই অধরাই থাকল চেন্নাইয়ের। ২১০ রান তাড়া করতে নেমে ১৮.৪ ওভারেই জয় নিজেদের নামে করে নেয় পাঞ্জাব। ৫ উইকেট হাতে থাকতেই ম্যাচ জিতে যান শ্রেয়স আইয়াররা।

শুক্রবার টসে জিতে প্রথম বল করার সিদ্ধান্ত নেয় পাঞ্জাব। চেন্নাই প্রথমে ব্যাট করতে নেমেই বড় ধাক্কা খায়। এই ম্যাচেও দলকে ভরসা দিতে পারলেন না সঞ্জু স্যামসন। মাত্র ৭ রান করে ফিরতে হয় তাঁকে। এরপর সেই ধাক্কা সামাল দেন আয়ুষ, ঋতুরাজ, শিবম দুবে। পাওয়ার প্লে-র প্রথম ৬ ওভারে ওঠে ৫৭ রান। ২০ ওভারের শেষে ২০৯ কিন্তু এরপরেও শেষরক্ষা হলো না।

চেন্নাই হারলেও প্রশংসা পেলেন আয়ুষ। তিন নম্বরে নেমে এই তরুণ প্রতিভা ৪৩ বলে ৭৩ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন। তাঁর এই বিধ্বংসী ইনিংস সাজানো রয়েছে ৬টি ছয় এবং ৫টি চার। ২৯ বলে নিজের হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করেন আয়ুষ। চিপকে সবচেয়ে কম বয়সী ব্যাটসম্যান হিসেবে হাফ সেঞ্চুরি করে নিজের নামে রেকর্ড লিখলেন। এই অর্ধশতরান করেন ১৮ বছর ২৬১ দিন বয়সে। ১৯ বছরে পা দেওয়ার আগে আইপিএল-এ দুটো বা তারও বেশি অর্ধশতরানের রেকর্ড করেন এই তরুণ ব্যাটার (PBKS)।
ঋতুরাজ করেন এই দিন ২২ বলে ২৮ রান। যদিও তাঁর স্লো ব্যাটিং নিয়ে ইতিমধ্যেই সমালোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে। তবে শিবম দুবে ২৭ বলে ৪৫ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন তবে চেন্নাইয়ের হয়ে অক্সিজেনের কাজটা করেন সরফরাজ খান। তাঁর ১২ বলে ৩২ রানের ক্যামিও ইনিংসের সৌজন্যে চেন্নাই ২০৯ রান করে। পাঞ্জাবের বোলারদের মধ্যে যুজবেন্দ্র চাহাল ৩ ওভারে ২১ রান দিয়ে নেন ১ উইকেট। জোড়া উইকেট নেন বিজয়কুমার বিশাখ (PBKS)।

আরও পড়ুন: Vote Prep: ভোটের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে জেলায় জেলায় সিইও মনোজ আগরওয়াল
রান তাড়া করতে নেমে প্রথম থেকেই আক্রমণ শানাতে থাকে পাঞ্জাব। সেই ঝাঁঝের কাছে খেই হারাতে থাকে চেন্নাইয়ের বোলিং। প্রিয়াংশ আর্য প্রথম বলেই চার মেরে খেলার গতি নির্ধারণ করে দেন। এরপরেও বলেই ছয়। মাত্র ১১ বলে ৩৯ রান করে পাঞ্জাবের জয়ের ভিত গড়ে দেন। এরপর জয়ের ইমারত বানানোর কাজটা বাকিরা দক্ষতার সঙ্গে করে দেন। প্রভসিমরন সিং ভুল বোঝাবুঝির কারণে রান আউট হয়ে ফেরেন ৪৩ রান করে। কিন্তু রানের গতিতে কোনও পরিবর্তন আসেনি। কুপার ৩৬ রান যোগ করেন স্কোর বোর্ডে।

কিন্তু এইদিন পাঞ্জাব অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার ২৯ বলে ৫০ রানের ইনিংস খেলে জয়ের সরণি আরও চওড়া করে দেন। শেষ পর্যন্ত জয় পেতে আর কোনও বেগ পেতে হয়নি পাঞ্জাবকে। কলকাতার মতো চেন্নাইয়েরও বোলিং ব্যর্থতা চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। চেন্নাইও নিজেদের দুটো ম্যাচে এখনও খাতা খুলতে পারেনি (PBKS)।


