Last Updated on [modified_date_only] by Debu Das
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল : প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের নির্দেশে আগামী ২৬ আগস্ট একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক বসছে(PMO Meeting On US Tariff)। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় পণ্যের উপর শুল্ক দ্বিগুণ হয়ে ৫০ শতাংশে পৌঁছনোর প্রেক্ষিতে এই বৈঠকে রপ্তানিকারক সংস্থাগুলোর সঙ্কট নিরসনের উপায় খোঁজা হবে। বৈঠকের নেতৃত্ব দেবেন প্রধানমন্ত্রী(Narendra Modi) কার্যালয়ের প্রধান সচিব।
শুল্ক দ্বিগুণ, রপ্তানিতে চাপ বাড়ছে (PMO Meeting On US Tariff)
বুধবার থেকে কার্যকর হতে চলা মার্কিন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভারত থেকে আমদানি হওয়া সব ধরনের পণ্যের উপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। এত দিন ২৫ শতাংশ শুল্ক কার্যকর ছিল। ব্যবসায়ী মহলের দাবি, ২৫ শতাংশ শুল্ক কার্যকর হওয়ার পর থেকেই রপ্তানির মার্জিন কমে গিয়েছে, বাজারে প্রতিযোগিতার ক্ষমতাও দুর্বল হয়েছে। এবার শুল্ক দ্বিগুণ হওয়ায় পরিস্থিতি আরও সংকটজনক হয়ে উঠতে পারে।
বিভাগভিত্তিক সহায়তার পরিকল্পনা (PMO Meeting On US Tariff)
বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রক ইতিমধ্যেই রপ্তানিকারক ও এক্সপোর্ট প্রোমোশন কাউন্সিলগুলোর সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক করছে(PMO Meeting On US Tariff)। সূত্র অনুযায়ী, সরকার পুরো অর্থনীতির জন্য সাধারণ আর্থিক প্যাকেজ না দিয়ে নির্দিষ্ট খাতভিত্তিক সহায়তা দিতে চাইছে। মাইক্রো সংস্থাগুলি জানিয়েছে, খাতভিত্তিক ঋণলাইন বা কল্যাটেরাল সমর্থিত তহবিল তাদের জন্য বেশি কার্যকর। ক্লাস্টারভিত্তিক কার্যকরী মূলধন তহবিল তৈরির বিষয়টিও সক্রিয়ভাবে বিবেচনায় রয়েছে।

রপ্তানিমুখী সংস্থা ও এসএমই সুরক্ষা প্রধান লক্ষ্য (PMO Meeting On US Tariff)
অফিসিয়াল সূত্রে জানানো হয়েছে, রপ্তানিমুখী ইউনিট ও ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (SME)-গুলিকে সুরক্ষা দেওয়া সরকারী কৌশলের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে(PMO Meeting On US Tariff)। কারণ, বাইরের বাজারে ধাক্কার সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ে এই খাতগুলির উপরেই। রপ্তানিকারকরা ইতিমধ্যেই জরুরি ক্রেডিট লাইন গ্যারান্টি স্কিম (ECLGS)-এর আওতায় জামানতবিহীন মূলধন ঋণের দাবি তুলেছিলেন। তবে সরকারি দফতরের ধারণা, নির্দিষ্ট খাতভিত্তিক হস্তক্ষেপই বেশি কার্যকর হতে পারে।
প্রধান প্রভাবিত খাতগুলো (PMO Meeting On US Tariff)
অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন শুল্ক বৃদ্ধি সরাসরি প্রভাব ফেলবে টেক্সটাইল, চামড়াজাত পণ্য, ইঞ্জিনিয়ারিং সামগ্রী ও স্পেশ্যালিটি কেমিক্যাল খাতে। রপ্তানির মার্জিন কমে যাওয়া, সরবরাহ শৃঙ্খল ব্যাহত হওয়া এবং প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান দুর্বল হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।

আগামী দিনের রূপরেখা
আগামী মঙ্গলবারের বৈঠকে ভারতের প্রতিক্রিয়া ও করণীয় পদক্ষেপের খসড়া তৈরি হবে বলে সরকারি সূত্রে ইঙ্গিত। কেন্দ্রীয় সরকারের লক্ষ্য, নতুন শুল্কবৃদ্ধির চাপ সামলে রপ্তানি খাতকে প্রতিযোগিতায় টিকিয়ে রাখা এবং সংস্থাগুলির তারল্য সঙ্কট কমানো।


