Last Updated on [modified_date_only] by Anustup Roy Barman
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: আদালতে আগে আত্মসমর্পণ করতে হয়েছে, তারপর মিলেছে জামিন (Pori Moni)। আইনি গেরোয় দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমনি (Pori Moni) । তাই কি অভিনেত্রী সোশ্যাল মিডিয়ায় (Social Media) নিজের ক্ষোভ উগরে দিলেন? ধর্মের দোহাই দিয়ে বাংলাদেশে (Bangladesh) ঠিক কী চলছে? এমনটাই প্রশ্ন তুললেন অভিনেত্রী। এমনি থেকেই পরীমনির জীবনে আইনি ঝঞ্ঝাটের যেন শেষ নেই। এখন নতুন করে নিজের জীবনটা সাজিয়ে নিয়েছেন তাঁর দুই সন্তানকে কেন্দ্র করে। কিন্তু পরীমনির মাথার উপর ঝুলছে, একটা মামলা। ২০২১ সালের একটি ঘটনা এখনও তাঁকে তাড়া করে বেড়াচ্ছে।
পরীমনির ফেসবুক পোস্ট (Pori Moni)
সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় পরীমনির (Pori Moni) যে পোস্টটা ভাইরাল হচ্ছে, সেটা সামনে আসার পরই কিন্তু পুরনো একটি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়। এক ব্যবসায়ীকে মারধর এবং হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল পরীমনির বিরুদ্ধে। প্রায় চার বছরের পুরোনো মামলা। কিন্তু সেই মামলা থেকে এখনও তিনি রেহাই পাননি।
কী লিখলেন ফেসবুকে? (Pori Moni)
ফেসবুকে পরীমনি (Pori Moni) লিখেছিলেন, “এত চুপ করে থাকা যায় নাকি? পরাধীন মনে হচ্ছে। শিল্পীদের এত বাধা কেন আসবে? ইনসিকিউর ফিল হচ্ছে। এমন স্বাধীন দেশে নিরাপদ নই কেন? আপনারা ধর্মের দোহাই দিয়ে কী প্রমাণ করতে চলেছেন? কি বলার আছে আর? এ দেশে সিনেমা বিনোদন সব বন্ধ করে দেওয়া হোক তাহলে!”
আরও পড়ুন: Janhvi-Khushi Wedding Plan: বিয়ে করছেন জাহ্নবী আর খুশি! সংসার সাজাবেন শ্রীদেবীর মতো
অভিনেত্রীর কাজে কট্টরপন্থীদের বাধা! (Pori Moni)
পরীমনির বিরুদ্ধে এই যে মামলা, আর তাঁর ফেসবুক স্ট্যাটাসের মধ্যে অনেকে যোগসূত্র খুঁজছেন। এ প্রসঙ্গে আরেকটা কথা বলে রাখা দরকার। সম্প্রতি টাঙ্গাইলের এক শোরুম উদ্বোধন করার কথা ছিল পরীমনির। ফেসবুকে সে বিষয়ে গত কয়েকদিন ধরেই তিনি তাঁর প্রচার চালাচ্ছিলেন। সঠিক সময়ে সঠিক দিনে অভিনেত্রীর ভক্ত থেকে শুরু করে অনুরাগীরা অপেক্ষায় ছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ওই শোরুম পর্যন্ত পৌঁছাতেই পারলেন না পরীমনি। অভিযোগ উঠল, কট্টরপন্থীদের জন্য অভিনেত্রীকে যেতে দেওয়া হয়নি। ঠিক তার একদিন পরেই ঘটে গেল মারাত্মক ঘটনা। অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হল।
আরও পড়ুন: IKSFF: ইন্টারন্যাশনাল কলকাতা শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে চাঁদের হাট, কারা হলেন সেরার সেরা?
আইনি জটিলতায় পরীমনি
ওই শোরুম উদ্বোধনে যেতে বাধা দেওয়ার পরেই পরীমনি ফেসবুক স্ট্যাটাসটা দেন। বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তিনি যথেষ্ট ক্ষুণ্ন। বাংলাদেশে আর কোনও নিরাপত্তা নেই। সে কথাও তিনি স্পষ্ট করে বললেন। সেই পোস্ট এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। হু হু করে শেয়ার উঠছে। তারপর তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হওয়াতে, অনেকে বিষয়টা দুয়ে দুয়ে চার করছেন। প্রশ্ন উঠছে, কট্টরপন্থীদের প্রভাবেই কি পরীমনির বিরুদ্ধে এমন কঠোর পদক্ষেপ? সোমবার জামিন মিললেও, পরীমনির জীবনে আইনি জটিলতা কমেনি।


