Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: উত্তরবঙ্গ এখন কঠিন সময়ের মধ্যে (Prosenjit Chatterjee) দিয়ে যাচ্ছে। প্রবল বৃষ্টি, ধস আর বন্যায় ভেঙে পড়েছে জনজীবন। ঘরছাড়া বহু মানুষ। বহু জায়গায় রাস্তাঘাট, সেতু ভেঙে গেছে। এই পরিস্থিতিতে পাশে এসে দাঁড়িয়েছে বাংলা ইন্ডাস্ট্রি। সম্প্রতি প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় (Prosenjit Chatterjee) একটি পোস্ট করেই সে কথা জানান। কী বলা হয় পোস্টে?
আবেগঘন পোস্ট (Prosenjit Chatterjee)
সম্প্রতি একটি আবেগঘন পোস্ট শেয়ার করেছেন অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় (Prosenjit Chatterjee)। সেখানে তিনি বলেছেন,“উত্তরবঙ্গের মানুষ ছাড়া আমাদের সিনেমা, আমাদের অস্তিত্ব অসম্পূর্ণ।”
অংশীদার হওয়া (Prosenjit Chatterjee)
প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় (Prosenjit Chatterjee) জানান, দুর্গাপুজোর সময় বাংলা সিনেমা অনেক আনন্দ দিয়েছে দর্শকদের। তবে প্রকৃতি সেই আনন্দে বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি লেখেন,”আমরা উত্তরবঙ্গের তীব্র কান্না অনুভব করতে পারি। এই সময় আমরা হাতে হাত ধরে আপনাদের যুদ্ধে অংশীদার হওয়ার তাগিদ অনুভব করছি।”
মন ছুঁয়ে যাওয়া
অভিনেতা প্রসেনজিৎ (Prosenjit) আরও জানান, সিনেমা শুধু বিনোদন নয়। সিনেমা মানুষের পাশে দাঁড়াতেও পারে। তাই এই সময় ইন্ডাস্ট্রি চুপ থাকতে পারে না। প্রসেনজিৎ-এর এই পোস্ট অনেক মানুষের মন ছুঁয়েছে। পাশাপাশি যাঁরা পাশে থাকতে চান, সাহায্য করতে চান, তাঁদেরকেও যোগাযোগ করতে বলা হয়।

এর আগেও উত্তরবঙ্গের পাশে দাঁড়িয়েছেন অভিনেতা দেব (Dev)। তিনি ত্রাণ ও আর্থিক সাহায্য পাঠিয়েছেন দুর্গতদের জন্য। অন্যদিকে অভিনেত্রী রুক্মিণী মৈত্র (Rukmini Maitra) তাঁর নতুন ছবির টিজার বাতিল করেছেন। বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির আরও অনেক তারকাই উত্তরবঙ্গের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন।
তৈরি করবে দায়িত্ববোধ
প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের (Prosenjit Chatterjee) এই পোস্টের পর অনেকেই তাঁকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তাঁর মতো একজন অভিজ্ঞ শিল্পীর এই বার্তা অনেকের মধ্যে দায়িত্ববোধ তৈরি করেছে। বাংলা সিনেমা শুধু পর্দায় নয়, বাস্তবেও মানুষের পাশে দাঁড়াতে চায়— এই বার্তাই আরও একবার উঠে এল বিপর্যস্ত এই সময়ে ।
আরও পড়ুন: Mamata Banerjee: বাংলার গর্ব কি ভুলে যাব? কার্নিভাল কটাক্ষের জবাব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী!
ঘুরে দাঁড়ানোর আহ্বান
অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় (Prosenjit Chatterjee) এর আগেও আরও একটি পোস্ট করেছিলেন। যেখানে বলেছিলেন,” কোচবিহার দার্জিলিং জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার। এই মুহূর্তে সারা দেশ এবং সমগ্র দেশ এর নিঃস্বার্থ সহযোগিতা পাক এই আশা রাখি। মানুষ ও প্রকৃতি সামঞ্জস্য হারালে সচেতনতা এবং সদুদ্যোগ একমাত্র উপায় ঘুরে দাঁড়ানোর ।” উত্তরবঙ্গের মানুষ এখন ভালোবাসা ও সহানুভূতির হাত ধরেই আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরবে , এই আশা করছেন সকলে।


