Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: প্রবল বর্ষণে বিপর্যস্ত কলকাতা (Pujo Holiday in School) এবং আশপাশের জেলা। একদিকে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একাধিক মৃত্যুর ঘটনা, অন্যদিকে রাস্তাঘাট ও এলাকাজুড়ে জল জমে ভয়াবহ পরিস্থিতি। এই আবহেই রাজ্যের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে পুজোর ছুটি এগিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার।
দুর্যোগে স্কুলে আসার দরকার নেই (Pujo Holiday in School)
মঙ্গলবার দুপুরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা (Pujo Holiday in School) করেন, দুর্যোগের কারণে আর কোনও ঝুঁকি না নিয়ে অবিলম্বে রাজ্যের স্কুল-কলেজ বন্ধ করে দেওয়া উচিত। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, “আমি সরকারকে এখনই নির্দেশ দিচ্ছি, স্কুল-কলেজে আজ থেকেই ছুটি দেওয়া হোক। ছোট ছেলেমেয়েদের এই দুর্যোগে স্কুলে আসার দরকার নেই। আশা করি শিক্ষামন্ত্রী বিষয়টি শুনছেন।”
মঙ্গলবার থেকেই দুর্গাপুজোর ছুটি (Pujo Holiday in School)
এই নির্দেশের পরেই শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু সামাজিক (Pujo Holiday in School) মাধ্যমে এক পোস্টে জানান, আগামী ২৪ ও ২৫ সেপ্টেম্বর (বুধবার ও বৃহস্পতিবার) রাজ্যের সমস্ত স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকবে। ফলে কার্যত মঙ্গলবার থেকেই দুর্গাপুজোর ছুটি শুরু হয়ে যাচ্ছে রাজ্যের সরকারি ও সরকার-পোষিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে।
উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি এলাকার স্কুলগুলি ছুটির আওতার বাইরে
এই সিদ্ধান্তের অন্তর্ভুক্ত রয়েছে রাজ্যের সমস্ত সরকারি, সরকার পোষিত এবং সরকার সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুল ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান। তবে উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি এলাকার স্কুলগুলিকে এই ছুটির আওতার বাইরে রাখা হয়েছে, কারণ সেখানকার আবহাওয়া পরিস্থিতি তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল।
সরকারি বিজ্ঞপ্তি জারি
শিক্ষা দফতরের তরফে একটি সরকারি বিজ্ঞপ্তিও জারি করা হয়েছে। তাতে জানানো হয়েছে, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার পূর্বাভাসের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যাতে ছাত্রছাত্রীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা যায়। রাজ্য সরকারের এই পদক্ষেপকে প্রশংসাযোগ্য বলেই মনে করছেন অভিভাবক ও শিক্ষক মহল।
আরও পড়ুন: Mangal Gochar: অক্টোবরে মঙ্গলের মহাপরিবর্তন, ৫ রাশির ভাগ্য এবার খুল যা সিম সিম…
শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু আরও জানিয়েছেন, যেহেতু ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে রাজ্য সরকারি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী দুর্গাপুজোর ছুটি নির্ধারিত ছিল, তাই বাস্তবে মঙ্গলবার থেকেই সেই ছুটি শুরু হয়ে গেল। দুর্যোগের সময় প্রশাসনের এই পদক্ষেপে একদিকে যেমন অভিভাবকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে, তেমনই রাজ্যের ছাত্রসমাজও একটু স্বাভাবিক শ্বাস নিতে পারছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে এই ধরনের দ্রুত সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকারের সজাগ দৃষ্টিভঙ্গির পরিচায়ক।


