Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: গত কয়েক বছর ধরে লক্ষ্মীপুজো শেষ হতে না হতেই অন্য রাজ্য এবং বিভিন্ন জেলা থেকে শহরে ঢোকা বেরোনোর রাস্তায় পুলিশের নাকা চেকিং শুরু হত (Purulia)। তা থেকেই বোঝা যেত, কালীপুজো ঘনিয়ে এসেছে। কিন্তু এ বছর সেই কড়াকড়ি যেন উধাও। কলকাতা বিধাননগরের মতো সংবেদনশীল এলাকাতেও শব্দবাজি ধরতে তেমন তৎপরতা দেখা যায়নি। ফলত, পুরুলিয়া থেকে পাবলিক ট্রান্সপোর্টে ৬০০ কেজি নিষিদ্ধ শব্দবাজি শহরে ঢুকে পড়ার ঘটনা চাঞ্চল্য তৈরি করেছে। নিচুতলার বহু পুলিশকর্মীরই দাবি, এ বছর নজরদারি কার্যত শিথিল।

আদালতের নির্দেশও ঢিলেঢালা মনোভাব! (Purulia)
নিষিদ্ধ বাজি বন্ধে ২০২১ সালে প্রথম কলকাতা হাইকোর্ট এবং পরে সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছিল। সেই মোতাবেক বাজি কারখানার কর্মীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা হলেও রাস্তায় বৈধ–অবৈধ বাজি চিহ্নিত করার কোনও প্রশিক্ষণ হয়নি পুলিশকর্মীদের।
প্রশাসনিক নির্দেশ, কিন্তু বাস্তবায়ন নেই (Purulia)
এ বছর ২৩ সেপ্টেম্বর রাজ্যের মুখ্যসচিব নির্দেশ দিয়েছিলেন, প্রতিটি জেলা থেকে ১৬০ জন সরকারি কর্মীকে ‘পেসো’ (Petroleum and Explosive Safety Organisation) এবং ‘নিরি’ (National Environmental Engineering Research Institute)-র কাছে প্রশিক্ষণের জন্য পাঠাতে। কিন্তু বাস্তবে তার কিছুই হয়নি। আদালতে জমা দেওয়া রাজ্য সরকারের নথিতে জানা গেছে, কেবল হুগলি জেলার প্রশাসনই প্রশিক্ষণের জন্য নাম পাঠিয়েছে নাগপুরে, তবু কোনও প্রশিক্ষণ হয়নি।
কেন এত দেরি? (Purulia)
সবুজ মঞ্চ–র মামলায় বিচারপতি বিশ্বজিত বসুর ডিভিশন বেঞ্চ প্রশ্ন তোলে, ২০২১ থেকে বারবার নির্দেশ দেওয়া সত্ত্বেও কেন এতদিন পরে প্রশিক্ষণের কথা ভাবল রাজ্য? আদালতে রাজ্য পক্ষ প্রমাণ দিতে ব্যর্থ যে কালীপুজোর আগে কারও প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হয়েছে। ফলে শব্দবাজি রুখতে রাজ্যের সদিচ্ছা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছে হাইকোর্ট।
আরও পড়ুন: Cucumber Benefits: কমবে ওজন, বাড়বে কনফিডেন্স, রোজ খান এই ফল…
পুলিশের ভেতরেও অসন্তোষ
সূত্রের খবর এক রাজ্যপুলিশ আধিকারিকের বক্তব্য, অন্যান্য বছর শব্দবাজি ধরতে আগে থেকেই হেডকোয়ার্টার থেকে বিশেষ নির্দেশনা জারি হয়। এ বছর তেমন কোনও নির্দেশই আসেনি। থানাগুলি নিজেদের মতো খবর জোগাড় করে অভিযান চালাচ্ছে। ফলে নিষিদ্ধ বাজি ধরার প্রচেষ্টা এবার সম্পূর্ণ খণ্ডিত ও ছড়ানো অবস্থায় রয়েছে।



