Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মঙ্গলবার ক্রেমলিন জানায়, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের একটি বাসভবনে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলার অভিযোগের পক্ষে তারা কোনো প্রমাণ প্রকাশ করবে না(Putin)। ক্রেমলিনের দাবি, সব ড্রোনই আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে মাটিতে নামানো হয়েছে এবং এ ধরনের তদন্ত সাধারণত সামরিক বাহিনীর আওতায় পড়ে।
প্রমাণ দেখানোর প্রশ্নই ওঠে না (Putin)
ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ সাংবাদিকদের বলেন, “যদি এত বড় ড্রোন হামলা হয়ে থাকে এবং আমাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তা সফলভাবে প্রতিহত করে থাকে, তাহলে প্রমাণ দেখানোর প্রশ্নই ওঠে না।” তিনি আরও জানান, এই ঘটনার পর শান্তি আলোচনায় রাশিয়া তাদের অবস্থান আরও কঠোর করবে।
পুতিনের বাসভবনে ড্রোন হামলার অভিযোগ (Putin)
রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ দাবি করেন, ইউক্রেন রাতভর ৯১টি দুরপাল্লার ড্রোন ছুড়েছিল, যার লক্ষ্য ছিল উত্তর-পশ্চিম রাশিয়ার নভগোরোদ অঞ্চলে অবস্থিত পুতিনের রাষ্ট্রীয় বাসভবন। তবে ঘটনার সময় পুতিন কোথায় ছিলেন, তা স্পষ্ট করা হয়নি।
সরাসরি অভিযোগ অস্বীকার জেলেনস্কির (Putin)
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি অভিযোগটি সরাসরি অস্বীকার করে একে “সম্পূর্ণ বানানো গল্প” বলে অভিহিত করেন। তাঁর মতে, শান্তি প্রক্রিয়া ব্যাহত করতেই রাশিয়া এমন দাবি তুলছে। তিনি বলেন, “এগুলো রাশিয়ার চিরাচরিত মিথ্যা,” এবং স্মরণ করিয়ে দেন যে রাশিয়াই বারবার কিয়েভের সরকারি ভবনে হামলা চালিয়েছে।
গভীর উদ্বেগ প্রকাশ (Putin)
ইউক্রেন ভারত, পাকিস্তান ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহির প্রতিক্রিয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছে। ইউক্রেনের বিদেশমন্ত্রক জোর দিয়ে বলেছে, “এমন কোনও হামলাই হয়নি।” ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পুতিনের বাসভবনে ড্রোন হামলার খবরে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। একই সময়ে হোয়াইট হাউস জানায়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে পুতিনের একটি “ইতিবাচক” ফোনালাপ হয়েছে। জেলেনস্কি সতর্ক করে বলেন, শান্তির জন্য সময় খুবই সীমিত। তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সক্রিয় সমর্থন থাকলে ২০২৬ সালের মধ্যে যুদ্ধ শেষ করার সম্ভাবনা রয়েছে।



