Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে ফের (Rahul Gandhi) মুখ খুললেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। সম্প্রতি বিহারের গয়ায় আয়োজিত এক সভায় লোকসভার বিরোধী দলনেতা সরাসরি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং আরও দুই নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণের হুঁশিয়ারি দেন। তাঁর অভিযোগ, সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার হরণ করা হয়েছে পরিকল্পিতভাবে, এবং নির্বাচন কমিশন সেই প্রক্রিয়ায় সহযোগীতা করেছেন।
নতুন ভোটচুরি পদ্ধতি! (Rahul Gandhi)
রাহুলের বক্তব্যে বারবার উঠে আসে ‘SIR’ নামক এক অভিযোগ, যা তিনি (Rahul Gandhi) ব্যঙ্গাত্মকভাবে “Special India Rigging” হিসেবে বর্ণনা করেন। তাঁর দাবি, এই ‘প্যাকেজ’ আসলে নির্বাচন ব্যবস্থার ভেতরে ঢুকে পড়া একটি নতুন ভোটচুরি পদ্ধতি। প্রধানমন্ত্রী যেমন এক সময় বিহারের জন্য ‘বিশেষ প্যাকেজ’-এর কথা বলতেন, ঠিক তেমনই কমিশনও এখন ভোট চুরির ‘বিশেষ ব্যবস্থা’ নিয়ে এসেছে বলেও কটাক্ষ করেন তিনি।
রাহুল গান্ধীর হুঁশিয়ারি (Rahul Gandhi)
আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদবকে সঙ্গে নিয়ে রাহুল গান্ধী ‘ভোটাধিকার যাত্রা’র আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদবকে সঙ্গে নিয়ে রাহুল গান্ধী ‘ভোটাধিকার যাত্রা’র মঞ্চে বলেন, “ভোট চুরি শুধু রাজনৈতিক নয়, এটা ভারত মাতার আত্মার ওপর সরাসরি আক্রমণ। নির্বাচন কমিশনের এই ভূমিকাকে আমরা কোনওভাবেই মেনে নিতে পারি না।” তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, I.N.D.I.A জোট যদি কেন্দ্রে সরকার গঠন করে, তবে এই তিন নির্বাচন কমিশনারের ভূমিকা নিয়ে তদন্ত হবে এবং যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিজেপির সরকার থাকার সুযোগে…
তিনি বলেন, “আমার কথা আমি রাখি। মঞ্চ থেকে আমি কখনো মিথ্যে বলি না। এই নির্বাচন কমিশনাররা-জ্ঞানেশ কুমার, সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক জোশি-আজ হয়তো কেন্দ্রে বিজেপির সরকার থাকার সুযোগে নিজেদের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু I.N.D.I.A ব্লকের সরকার এলে এই দায়িত্বজ্ঞানহীন কাজের জন্য তাঁদের জবাবদিহি করতে হবে।”

আরও পড়ুন: Mithun Chakraborty: বাবা মিঠুনের সাথে প্রথম অভিনয়, ভীষণ ভয়ে তারকা পুত্র!
কমিশন তাঁর কাছেই কেন হলফনামা চাইল?
রাহুলের আরও এক বড় অভিযোগ, ভোটচুরি সংক্রান্ত অভিযোগ তোলার পর কমিশন তাঁর কাছেই কেন হলফনামা চাইল, এই প্রশ্ন তিনি বারবার তুলেছেন। তাঁর যুক্তি, “আমি যখন সাংবাদিক সম্মেলনে কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলি, তখন আমাকে বলা হয় তথ্যের সত্যতা প্রমাণ করতে হলফনামা দিতে হবে। কিন্তু বিজেপি নেতারাও সাংবাদিক বৈঠকে নানা দাবি করছেন, তাঁদের তো হলফনামা চাওয়া হচ্ছে না। নির্বাচন কমিশনের এই দ্বিচারিতা দেশের গণতন্ত্রকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করাচ্ছে।”


