Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: সোমবার ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড রাজস্থানের (Rajasthan Factory Fire) ভিওয়াড়ি শহরে। জানা গিয়েছে, খুশখেরা-কারোলি ইন্ডাস্ট্রিয়াল এলাকায় একটি রাসায়নিক কারখানায় আগুন লেগে অন্তত সাত শ্রমিক জীবন্ত পুড়ে মারা গিয়েছেন। প্রশাসন সূত্রে খবর, এখনও দু’জন শ্রমিক কারখানার ভিতরে আটকে রয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। নিয়মিত টহলদারির সময় পুলিশ প্রথমে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি জানতে পারে। খবর পাওয়া মাত্রই শুরু হয় ব্যাপক উদ্ধার অভিযান।
দাউদাউ করে জ্বলছে আগুনের শিখা (Rajasthan Factory Fire)
ঘটনার ভিডিও ইতিমধ্যেই সামনে (Rajasthan Factory Fire) এসেছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, কারখানার ভিতর থেকে দাউদাউ করে আগুনের শিখা ও ঘন কালো ধোঁয়া বেরিয়ে আসছে। মুহূর্তের মধ্যে সেই ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের এলাকায়। কাছাকাছি গাছপালা ও স্থাপনার উপর জমে যায় ধোঁয়ার ঘন স্তর। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে স্থানীয়দের মধ্যে। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুমিতা মিশ্র জানিয়েছেন, “কারখানার ভিতরে মোট ৯ জন আটকে ছিলেন। এখন পর্যন্ত ৭টি দেহ উদ্ধার করা হয়েছে।”

শ্রমিককে উদ্ধারের চেষ্টা (Rajasthan Factory Fire)
এখনও ভিতরে আটকে থাকা দুই শ্রমিককে উদ্ধারের (Rajasthan Factory Fire) চেষ্টা চলছে। দমকল ও উদ্ধারকারী দল লাগাতার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এদিকে রবিবার সকালে কর্নাটকের বাসালারু এলাকায় একটি বেসরকারি কারখানায় রাসায়নিক মজুত ট্যাঙ্ক বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছে বিহারের দুই পরিযায়ী শ্রমিকের। ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও চারজন। ঘটনাটি ঘটে কারেকাট্টে এলাকার কীর্তি কেমিক্যাল ফ্যাক্টরি-তে।
রাসায়নিক সংরক্ষণের ট্যাঙ্ক খুলে সরানোর কাজ
জানা গিয়েছে, কারখানা স্থানান্তরের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে শ্রমিকরা রাসায়নিক সংরক্ষণের ট্যাঙ্ক খুলে সরানোর কাজ করছিলেন। সেই সময় আচমকাই বিস্ফোরণ ঘটে। দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু হয় এবং আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রসঙ্গত, গত মাসেই কলকাতা-র আনন্দপুরের নাজিরাবাদ এলাকায় ‘Wow! Momo’-র গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। দুর্ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয় বহু দেহাংশ ও আধপোড়া দেহ।
আরও পড়ুন: Gold Gambling: সাড়ে ৩ কোটির গয়নায় জুয়ার আসর! বেঙ্গালুরুতে গ্রাহকদের গচ্ছিত সোনা উধাও
প্রথমদিকে ২৮ জন নিখোঁজ বলে অভিযোগ ওঠে পরিবারের তরফে। ফরেন্সিক ও দমকলের প্রাথমিক রিপোর্টে জানা যায়, আগুনের উৎস ছিল একটি ডেকরেটর্সের গুদামঘর। সেখান থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে তিনতলা ভবনের বিভিন্ন অংশে এবং শেষ পর্যন্ত সম্পূর্ণ গুদাম গ্রাস করে নেয়। রাজস্থান থেকে কর্নাটক, আবার পশ্চিমবঙ্গ—পরপর শিল্পাঞ্চলে অগ্নিকাণ্ড ও বিস্ফোরণের ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে নিরাপত্তা ও পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থাকে ঘিরে। শ্রমিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে দেশজুড়ে।


