Last Updated on [modified_date_only] by Suparna Ghosh
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: আগামী মাসের ৬ এপ্রিল রামনবমী। দেশজুড়ে পালন হবে রামনবমী। রামনবমীতেই পামবান সেতুর(Pamban Bridge) উদ্বোধন করবেন মোদী। রামনবমী ঘিরে ঠাসা কর্মসূচি রয়েছে প্রধানমন্ত্রী মোদীর। তার আগেই আসরে দেশের শাসক-বিরোধী নেতারা। এই আবহেই প্রধানমন্ত্রীর দফতর সূত্রে খবর, রামনবমীর দিন রামেশ্বরামের রামানাথাস্বামী মন্দিরে পুজো দেবেন মোদী। তারপরই সেখান থেকে চলে যাবেন সদ্য নির্মিত পামবান রেল সেতু উদ্বোধনে।
রামনবমীতেই উদ্বোধন পামবান সেতুর(Pamban Bridge)
রমজান মাস উপলক্ষে ইদের আগে দেশের ৩২ লক্ষ দরিদ্র মুসলিম পরিবারের হাতে সম্প্রতি ‘বিশেষ উপহার’ তুলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার তরফে দরিদ্র পরিবারগুলির কাছে পাঠানো হয়েছে নরেন্দ্র মোদীর এই উপহার। এবার ইদে উপহারের পাশাপাশি, রামনবমীতে পুজো দিতেও দেখা যাবে প্রধানমন্ত্রীকে। পাশাপাশি, সেই একই দিনে উদ্বোধন হবে পামবান সেতুও(Pamban Bridge)।
কী এই সেতু?(Pamban Bridge)
ভারতীয় ভূখণ্ডের সঙ্গে রামেশ্বরাম বা পামবান দ্বীপকে জুড়তেই তৈরি হয়েছে এই নতুন রেলব্রিজ। সমুদ্রের উপরেই তৈরি হয়েছে নতুন সেতু। যা নির্মাণে খরচ পড়েছে মোট ৫৩৫ কোটি টাকা। গত মাসেই এই রেল সেতুতে হয়ে গিয়েছে প্রথম ট্রায়াল রান। এবার আগামী মাসেই রামনবমী দিনেই উদ্বোধন হবে পামবান রেল সেতুর(Pamban Bridge)।
এই সেতুতে কী বিশেষ সুবিধা রয়েছে?
পামবান দ্বীপকে জুড়তে কেন্দ্র যে এই প্রথম রেলসেতু নির্মাণ করছে এমনটা নয়। ভারতীয় ভূখণ্ড ও ওই দ্বীপের মধ্যে রয়েছে একটি যানবাহন চলাচলের সেতু, যা ইন্দিরা পয়েন্ট নামে খ্য়াত। পাশাপাশি, রয়েছে পুরনো পামবান ব্রিজ। যা নানা যান্ত্রিক সমস্যার কারণে বন্ধ হয়েছে ২০২২ সালে। সেই পুরনো রেল ব্রিজটি বন্ধ হতেই নতুন ব্রিজ তৈরি করতে নেমে পড়ে কেন্দ্র। যা উদ্বোধন হতে চলেছে আগামী মাসে। অত্য়াধুনিক প্রযুক্তিতে তৈরি হওয়ায় খুব সহজেই প্রতি ঘণ্টায় ৭৫ কিলোমিটার বেগে এই নতুন রেল সেতু হয়ে ছোটানো যাবে ট্রেনগুলি। পাশাপাশি, জাহাজ পারাপার করানোর জন্য মাঝখান থেকে ১৭ মিটার পর্যন্ত উচ্চতায় উঠে যেতে পারে ব্রিজটি।
আরও পড়ুন: Engineer Rashid: দিল্লি হাইকোর্টের নির্দেশ, রশিদকে জেল থেকেই যেতে হবে সংসদে!
রেলসেতুর বিশেষ বৈশিষ্ট্য
এই রেলসেতুর একটি বৈশিষ্ট্য হল এর ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল ভার্টিক্যাল লিফট স্প্যান, যা মাত্র ৫ মিনিটে উঁচু হয়ে যায়, যাতে জাহাজগুলো সুষ্ঠুভাবে চলাচল করতে পারে। এটি এক জন অপারেটর দ্বারা পরিচালিত হয় এবং সাধারণ আবহাওয়ায় নিরাপদে কাজ করতে সক্ষম হলেও, বাতাসের গতি ৫৮ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টার বেশি হলে এটি চলবে না।


