Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের রণক্ষেত্রে নির্দল (Rajnya Halder Nomination) প্রার্থী হিসেবে লড়াইয়ের ঘোষণা দিয়েও বড়সড় ধাক্কা প্রাক্তন ছাত্রনেত্রী রাজন্যা হালদারের। প্রস্তাবক-জটে আসানসোল দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রে তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল করে নির্বাচন কমিশন। নিয়মমাফিক ১০ জন প্রস্তাবকের নাম থাকার কথা থাকলেও, স্ক্রুটিনির সময় প্রয়োজনীয় সংখ্যায় প্রস্তাবক না থাকায় রাজন্যার আবেদন খারিজ হয়ে যায়। যদিও দীর্ঘ টালবাহানার পর মনোনয়ন গ্রহণ হয় তাঁর। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বর্তমানে সরগরম শিল্পাঞ্চলের রাজনীতি।
মনোনয়ন বাতিলের নেপথ্যে কী? (Rajnya Halder Nomination)
নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, স্বীকৃত (Rajnya Halder Nomination) রাজনৈতিক দল ছাড়া কোনো নির্দল প্রার্থীকে মনোনয়নপত্র জমা দিতে হলে ১০ জন প্রস্তাবকের সই প্রয়োজন হয়। রাজন্যা যখন মনোনয়নপত্র জমা দিতে যান, তখন দেখা যায় তাঁর আগে থেকে ঠিক করা প্রস্তাবকদের বড় অংশই অনুপস্থিত। রাজন্যার অভিযোগ, সময়মতো কেন্দ্রে পৌঁছলেও তাঁর ৬ জন প্রস্তাবক রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ ছিলেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে তড়িঘড়ি নতুন প্রস্তাবকদের জোগাড় করার চেষ্টা করেন তিনি। কিন্তু শেষ মুহূর্তে মাত্র ৪ জন প্রস্তাবককে সঙ্গে নিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিতে বাধ্য হন তিনি। স্ক্রুটিনি চলাকালীন এই ত্রুটির কারণেই তাঁর প্রার্থীপদ বাতিল করা হয়।

আরও পড়ুন: Dhruvastra Missile: খারাপ আবহাওয়াতেও নির্ভুল আঘাত, সেনাবাহিনীর শক্তি বাড়াতে আসছে ‘ধ্রুবাস্ত্র’!
এই ঘটনায় সরাসরি বিজেপির দিকে (Rajnya Halder Nomination) আঙুল তুলেছেন রাজন্যা হালদার। তাঁর দাবি, “বিজেপি পরিকল্পিতভাবে আমার প্রস্তাবকদের আটকে রেখেছিল যাতে আমি ভোটে লড়তে না পারি।” তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিজেপির জেলা সহ-সভাপতি প্রশান্ত চক্রবর্তী সেখানে উপস্থিত থেকে বিষয়টি তদারকি করছিলেন।
যদিও এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে গেরুয়া শিবির। বিজেপির জেলা সভাপতি দেবতনু ভট্টাচার্যের সাফ কথা, “কমিশনের নিয়মে মনোনয়ন বাতিল হয়েছে, এতে আমাদের জড়ালে তো আর ওঁর অযোগ্যতা ঢাকা পড়বে না।” অন্যদিকে, প্রশান্ত চক্রবর্তী পাল্টা কটাক্ষ করে বলেন, “উনি আসলে প্রস্তাবক জোগাড় করতেই পারেননি। নাচতে না জানলে উঠোন বাঁকা। নির্বাচন কমিশন কেন কোনো অনৈতিক কাজ করতে দেবে?”
নেটপাড়ায় কটাক্ষ ও ভবিষ্যৎ
তৃণমূলের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হওয়ার পর সোনারপুর দক্ষিণ এবং আসানসোল দক্ষিণ, দুই কেন্দ্র থেকেই নির্দল হিসেবে লড়াইয়ের ডাক দিয়েছিলেন রাজন্যা। কিন্তু আসানসোলে এই ‘ভুল’ নিয়ে সমাজমাধ্যমে ব্যাপক ট্রোলিংয়ের মুখে পড়েছেন তিনি। নেটিজেনদের একাংশ একে ‘পাবলিসিটি স্টান্ট’ বলে উল্লেখ করেছেন। যদিও দীর্ঘ টালবাহানার পর মনোনয়ন গ্রহণ হয় তাঁর। সেকথা নিজেই সোশ্যাল মিডিয়ায় পোষ্ট করে জানান রাজন্যা।


