Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা রুবেল দাস (Rubel Das) এই বছরের অর্থাৎ ২০২৫ এ দুর্গাপুজো কাটাচ্ছেন একদম পারিবারিক পরিবেশে, ভরপুর আনন্দে কিন্তু একটু আলাদা ভাবে । এবছর পুজোর আগে একটিও নতুন জামা কেনেননি রুবেল! কারণ? পরিবারের প্রিয়জনরা ভালোবাসায় তাঁকে উপহার দিয়ে ভরিয়ে দিয়েছেন। শ্বেতা ও রুবেলকে (Shweta-Rubel) কোন লুকে দেখা যাবে পুজোতে? কী প্ল্যান করেছেন অভিনেতা ? নানান অভিজ্ঞতা শেয়ার করে নিলেন ট্রাইব টিভির সাক্ষাৎকারে।
কিছুই কেনেননি ! (Rubel Das)
রুবেলের (Rubel Das) কথায়, পুজোতে এবার নিজের জন্য কিছু কেনেননি। শাশুড়ি মা দিয়েছেন, স্ত্রী শ্বেতা ভট্টাচার্য দিয়েছেন, এমনকি দাদা-বৌদিও নতুন জামা দিয়েছেন। তাই আলাদা করে কিছু কেনার দরকার হয়নি। বিশেষ করে অষ্টমীর জন্য শ্বেতা প্রতিবারই তাঁকে নতুন পাঞ্জাবি দেন, এবারেও ব্যতিক্রম হয়নি।
সারপ্রাইজের ইঙ্গিত (Rubel Das)
সম্প্রতি ৫ সেপ্টেম্বর ছিল রুবেলের (Rubel Das) জন্মদিন। সেই উপলক্ষেও শ্বেতা তাঁকে একটি দারুণ আউটফিট উপহার দিয়েছিলেন। স্ত্রী শ্বেতা ভট্টাচার্যও (Shweta Bhattacharya) টেলিভিশন জগতের পরিচিত মুখ, আর এখন দু’জনেই একসাথে নিজেদের ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবন সুন্দরভাবে সামলাচ্ছেন। দুজনেই ভীষণ প্রিয় দর্শকদের কাছে। এছাড়া অষ্টমীর দিন রংমিলান্তি দেখা মিলতেও পারে রুবেল ও শ্বেতার, তবে সেটা এখনই নিশ্চিত করে কিছু বলেননি। কিছু সারপ্রাইজ থেকে যাক, এমনটাই ইঙ্গিত দিলেন রুবেল।
পরিবারের সাথে কাটানো
রুবেলের মা বর্তমানে মাসির বাড়িতে, শিলিগুড়িতে রয়েছেন। তবে দাদা, বৌদি এবং তাঁদের দুই ছোট সন্তান রয়েছেন । পুজোর দিনগুলোতে পরিবারের সঙ্গে প্যান্ডেল হপিং করার ইচ্ছা রয়েছে অভিনেতার। পাশাপাশি কোনও রেস্টুরেন্টে গিয়ে জমিয়ে খাওয়া-দাওয়ার পরিকল্পনাও করেছেন তিনি।
মিস করা
পুজোর সময় ছোটবেলার স্মৃতিও রুবেলকে বেশ আবেগপ্রবণ করে তোলে। তিনি জানান, ‘‘ছোটবেলায় ক্লাবের পুজো, ডান্স প্রোগ্রাম , বন্দুক ফাটানো, বাজি পোড়ানো এই সব খুব মিস করেন এখন।’’
অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়া
এবছরের দশমীতে একটি বিশেষ অনুভূতিও অপেক্ষা করছে রুবেলের জন্য। কারণ বিয়ের পর প্রথম সিঁদুর খেলা। যদিও এ বিষয়ে খোলাখুলি কিছু বলেননি তিনি। রুবেলের কথায়, ‘‘প্রথম দশমীর সিঁদুর খেলায় অবশ্যই শ্বেতার পাশে থাকব।” তবে এই অভিজ্ঞতা আগে নিয়ে , তারপর সকলের সঙ্গে ভাগ করে নেবেন , এমনটাই জানিয়েছেন অভিনেতা।
হাসিমুখে পুজো উদযাপন
সব মিলিয়ে এবারের পুজোটা রুবেলের কাছে একদম ঘরোয়া, পরিবারকেন্দ্রিক এবং আবেগঘন হতে চলেছে। ক্যামেরার সামনে যতোই ব্যস্ততা থাকুক না কেন, পুজোর কয়েকটা দিন তিনি শুধুই রুবেল, পরিবারের ছেলে, ভাই, স্বামী আর কাকা। আর পাঁচটা সাধারণ মানুষের মতোই, অভিনেতা চান এই পুজোটা হোক খুশিতে ভরপুর, হাসিমুখে কাটুক প্রতিটি দিন


