Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: রাশিয়ার দূরপ্রাচ্যের কামচাটকা উপদ্বীপে ফের একবার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে (Russia Earthquake)। মার্কিন জিওলজিক্যাল সার্ভের তথ্য অনুযায়ী, ১৯ সেপ্টেম্বর মধ্যরাতে রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ধরা পড়ে ৭.৮। ভূমিকম্পের উৎসস্থল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে ছিল। কম্পনের জেরে আতঙ্ক ছড়িয়েছে পুরো উপদ্বীপে।
রাজধানীর কাছে তীব্র কম্পন! (Russia Earthquake)
কামচাটকার রাজধানী পেট্রোপাভলোভস্ক-কামচাটস্কি এলাকায় কম্পন সবচেয়ে বেশি অনুভূত হয়। স্থানীয়রা জানান, রাতের অন্ধকারে হঠাৎ বাড়িঘর দুলতে শুরু করে। রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা গাড়িগুলিও দুলতে দেখা যায়। রাশিয়ান সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে আতঙ্কের সেই মুহূর্ত স্পষ্ট হয়েছে।
একাধিক আফটারশক (Russia Earthquake)
প্রথম কম্পনের পর একের পর এক আফটারশক অনুভূত হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী আফটারশকের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৫.৮। ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে ভয় আরও বাড়তে থাকে।
সুনামির আশঙ্কা (Russia Earthquake)
ভূমিকম্পের পরপরই মার্কিন জাতীয় আবহাওয়া দফতর এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় সুনামি সতর্কীকরণ কেন্দ্র সুনামির সতর্কতা জারি করেছে। কামচাটকার পূর্ব উপকূল, হাওয়াই, আলাস্কা এবং জাপানের উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতেও সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছে। উপকূলীয় একটি গ্রাম আংশিকভাবে সমুদ্রের জলে ভেসে গেছে বলে জানা গেছে।
গভর্নরের জানিয়েছেন (Russia Earthquake)
কামচাটকার গভর্নর ভ্লাদিমির সোলোদভ জনগণকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। খবর সূত্রে জানা যায় তিনি বলেন,
“এখন পর্যন্ত বড় কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর নেই। তবে পূর্ব উপকূলে সুনামির সতর্কতা জারি রয়েছে। সকলকে সতর্ক থাকতে এবং প্রশাসনের নির্দেশ মেনে চলতে অনুরোধ করছি।”
রিং অফ ফায়ার জোনে অবস্থিত!
বিশেষজ্ঞরা জানান, কামচাটকা উপদ্বীপটি পৃথিবীর সবচেয়ে ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলের মধ্যে একটি রিং অফ ফায়ার নামে পরিচিত টেকটনিক বেল্টে অবস্থিত। এই অঞ্চলে নিয়মিত ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুত্পাত হয়ে থাকে। কয়েক মাস আগেই, জুলাই মাসে, কামচাটকা উপকূলে ৮.৮ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্প হয়েছিল, যার ফলে সুনামি আছড়ে পড়ে।
আরও পড়ুন: Israel Attack On Gaza : গাজা শহর দখলের লক্ষ্যে স্থলপথে আক্রমণ বাড়লো ইজরায়েল
মাত্র কয়েকদিন আগেই, গত শনিবার, কামচাটকায় ৭.৪ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প হয়েছিল। তার আগেও ২০ জুলাই পরপর পাঁচটি কম্পনে কেঁপে উঠেছিল এই উপদ্বীপ। ধারাবাহিক ভূমিকম্পে স্থানীয়রা ভীষণভাবে আতঙ্কিত।



