Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই অবসর ঘোষণা করলেন পাক তারকার (Sarfaraz Ahmed)।
অবসর ঘোষণা পাক তারকার (Sarfaraz Ahmed)
পাককিস্তান ক্রিকেটের একটা অধ্যায় শেষ হলো। ব্যাট প্যাডকে নিঃশব্দে বিদায় জানালেন পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ। ২০২৩ সালে সেবার তাঁকে দেশের জার্সি গায়ে দেখা গিয়েছিল। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে টেস্ট ম্যাচে (Sarfaraz Ahmed)।
তিনি জাতীয় দলের হয়ে ৫৪টি টেস্ট, ১১৭টি ওয়ানডে এবং ৬১টি টি-২০ ম্যাচ খেলেছেন। তিন ফরম্যাট মিলিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সরফরাজের সংগ্রহে রয়েছে ৬, ১৬৪ রান। ব্যাট হাতে তাঁর সেঞ্চুরির সংখ্যা ৬ ও ৩৫টি হাফ সেঞ্চুরির মালিক তিনি। উইকেটের পেছনে ৩১৫টি ক্যাচ ও ৫৬টি স্টাম্পিং রয়েছে তাঁর দখলে। পরিসংখ্যানের দিকে থেকে দেখলে পাকিস্তান ক্রিকেটে তাঁর অবদান বোঝা যায় কতটা।

সরফরাজের অধিনায়কত্বেই পাকিস্তান খেলেছে ১০০টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ। আজ তলানিতে থাকা পাকিস্তান তাঁর নেতৃত্বে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এক সময় বিশ্বের এক নম্বর দল হয়ে উঠেছিল। শুধু তাই নয়, টানা ১১টি টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতে গড়ে বিশ্বরেকর্ড, তাঁর কৃতিত্বের সংজ্ঞা রচনা করে।

তবে তাঁর নেতৃত্বের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য মুহূর্তটি নিঃসন্দেহে ২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয়। ইংল্যান্ডের মাটিতে সেই ফাইনালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতকে ১৮০ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে শিরোপা জিতে নেয় পাকিস্তান। আট বছরের ট্রফি-খরা কাটিয়ে যে জয় এসেছিল, তা আজও পাকিস্তানের ক্রিকেট ইতিহাসে এক আবেগময় স্মৃতি হয়ে আছে। জুনিয়র ও সিনিয়র দুই স্তরেই আইসিসি ট্রফি জয়ের কান্ডারি ছিলেন সরফরাজ। ২০০৬ সালে অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ জিতেছিলেন। সেবারও ফাইনালে হারিয়েছিল চির প্রতিদ্বন্দ্বী ভারতকে।
আরও পড়ুন: Code Of Conduct: কার্যকর নির্বাচনী আদর্শ আচরণবিধি: কী কী মেনে চলতে হবে নির্বাচন পর্যন্ত?
সরফরাজ বলেছেন, ‘তিনটি ফরম্যাটে পাকিস্তানকে নেতৃত্ব দেব, স্বপ্নেও তা ভাবিনি। ২০০৬ সালের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জয় এবং ২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির মুহূর্ত আমার জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান স্মৃতি হয়ে থাকবে (Sarfaraz Ahmed)।’


