Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক রুট ঘিরে উত্তেজনা বাড়ছে। হরমুজ প্রণালীর পর এবার ইরান হুঁশিয়ারি দিয়েছে, প্রয়োজন হলে তারা বাব এল-মান্দেব প্রণালীও বন্ধ করে দিতে পারে(Sea Route)। যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের খার্গ দ্বীপ দখলের চেষ্টা করে, তাহলে এই পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছে তেহরান।
বন্ধ ‘গেট অব টিয়ার্স’! (Sea Route)
বাব এল-মান্দেব প্রণালীকে বলা হয় ‘গেট অব টিয়ার্স’। এটি লোহিত সাগরকে এডেন উপসাগর ও আরব সাগরের সঙ্গে যুক্ত করে। ইয়েমেন এবং আফ্রিকার জিবুতি ও ইরিত্রিয়ার মাঝখানে অবস্থিত এই সরু জলপথটি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য রুট। প্রতি বছর প্রায় ১২ শতাংশ সমুদ্রপথে পরিবাহিত তেল এবং বিপুল এলএনজি এই পথ দিয়ে যায়। ইউরোপ, আফ্রিকা ও পশ্চিম এশিয়ার মধ্যে যোগাযোগের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে সুয়েজ খালের সঙ্গে সংযোগের কারণে।
বিশ্ব বাণিজ্যে বড় ধাক্কা
যদি এই প্রণালী বন্ধ হয়ে যায়, তবে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় ধাক্কা লাগবে। জাহাজগুলোকে তখন আফ্রিকার দক্ষিণ প্রান্ত কেপ অব গুড হোপ ঘুরে যেতে হবে, যা যাত্রার সময় ২০–২৫ দিন থেকে বাড়িয়ে ৩০–৪০ দিনে নিয়ে যাবে। ফলে পরিবহন খরচ বাড়বে এবং তার প্রভাব পড়বে পণ্য ও জ্বালানির দামে।
পরিস্থিতি আরও জটিল (Sea Route)
ইতিমধ্যেই নিরাপত্তা উদ্বেগে অনেক শিপিং সংস্থা লোহিত সাগরের রুট এড়িয়ে চলছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠী এই প্রণালী অবরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলবে।
আরও পড়ুন: Nirav Modi: লন্ডনের আদালতে বড় ধাক্কা নীরব মোদির: ভারতে প্রত্যর্পণের সম্ভাবনা জোরাল
বড় ধরনের অস্থিরতার আশঙ্কা (Sea Route)
তবে হরমুজ প্রণালীর গুরুত্ব এখনও সবচেয়ে বেশি, কারণ বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও গ্যাস এই পথে পরিবাহিত হয়। তবুও, বাব এল-মান্দেব বন্ধ হলে বিশ্ব বাণিজ্য ও সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হবে।



