Last Updated on [modified_date_only] by Suparna Ghosh
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: আনন্দপুর যেন মৃত্যুপুরী! লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ডে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১। আনন্দপুরের নাজিরাবাদে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের(Nazirabad Fire) ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই কড়া প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হল। পরিস্থিতি এখনও থমথমে থাকায় এবং তদন্তের স্বার্থে নাজিরাবাদ এলাকায় ১৬৩ ধারা জারি করা হয়েছে। নরেন্দ্রপুর থানার আইসির আবেদনের ভিত্তিতে বারুইপুরের মহকুমা শাসক এই জরুরি নিষেধাজ্ঞার নির্দেশ দেন। প্রশাসনের দাবি, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং তদন্ত নির্বিঘ্ন করতেই এই সিদ্ধান্ত।
নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ ও এলাকা(Nazirabad Fire)
প্রশাসনিক নির্দেশ অনুযায়ী, ২৮ জানুয়ারি বিকেল ৫টা থেকে এই আদেশ কার্যকর হয়েছে এবং তা আগামী ৩০ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। নাজিরাবাদের অগ্নিকাণ্ডস্থলের(Nazirabad Fire) চারপাশে ১০০ মিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে পাঁচ বা তার বেশি মানুষের জমায়েত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি, কোনো ধরনের র্যালি, মিছিল, বিক্ষোভ বা অননুমোদিত প্রবেশেও কড়া নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে।
কেন জারি করা হল ১৬৩ ধারা?(Nazirabad Fire)
অফিসিয়াল অর্ডারে উল্লেখ করা হয়েছে, ২৬ জানুয়ারি ওই ফ্যাক্টরিতে অগ্নিকাণ্ডের(Nazirabad Fire) ঘটনায় একাধিক প্রাণহানি এবং বিপুল সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঘটনাস্থলে এখনও গুরুত্বপূর্ণ ফরেনসিক ও শারীরিক তথ্যপ্রমাণ রয়ে গেছে। প্রশাসনের আশঙ্কা, জমায়েত বা রাজনৈতিক কর্মসূচির কারণে সেই প্রমাণ নষ্ট হতে পারে, যা তদন্তের ক্ষেত্রে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াবে।
আরও পড়ুন: Anandapur Fire: আনন্দপুরে ভস্মীভূত ডেকরেটর্স গুদামের মালিক গ্রেফতার
আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উদ্বেগ
নরেন্দ্রপুর থানার আইসি প্রশাসনকে জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক ঘটনার জেরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়াতে পারে এবং জনশান্তি বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সেই কারণেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বারুইপুরের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সন্দীপ পাঠক স্বতঃপ্রণোদিতভাবে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন।
আরও পড়ুন: Bogtui Case: সিবিআই-এর আবেদনে মান্যতা হাইকোর্টের, বীরভূম থেকে সরল বগটুই মামলা
রাজনৈতিক চর্চা তুঙ্গে
উল্লেখযোগ্যভাবে, আজই নাজিরাবাদ এলাকায় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)কর্মসূচি। ফলে ১৬৩ ধারা জারির সময়কাল ও সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। যদিও প্রশাসনের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, এই পদক্ষেপ পুরোপুরি আইনশৃঙ্খলা, তথ্যপ্রমাণ রক্ষা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই নেওয়া হয়েছে।


