Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: রাজ্যে তথ্যগত অসঙ্গতি যাচাই করতে ওড়িশা, ঝাড়খণ্ডের বিচারপতিদেরও জুডিশিয়াল অফিসার হিসেবে নিয়োগ করার নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের(SIR SC)। ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করতে হবে। পরে অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশ করা যাবে বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট। ১৪ ফেব্রুয়ারির আগে জমা পড়া নথিই গ্রহণ করা হবে বলে নির্দেশ শীর্ষ আদালতের।
ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড থেকে জুডিশিয়াল অফিসার নিয়োগ (SIR SC)
রাজ্যে এসআইআর-এ এখনও ৮০ লক্ষ কাজ বাকি রয়েছে। তাই ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড থেকে বিচারকদের নিয়ে এসে জুডিশিয়াল অফিসার হিসেবে নিয়োগ করা হবে বলে জানালেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত। সূত্রের খবর, এখনও পর্যন্ত ৬০ লক্ষ কাজ বাকি।
পর্যাপ্ত জুডিশিয়াল অফিসারের অভাব
এদিন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি বলেন,’কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি আমাদের রিপোর্ট পাঠিয়েছেন। এসআইআর এর তথ্যগত অসংগতির নথি যাচাইয়ের জন্য পর্যাপ্ত জুডিশিয়াল অফিসারের অভাব রয়েছে। রাজ্যে প্রায় ৮০ লক্ষ লজিক্যাল ডিস্ক্রিপেন্সি এবং আনম্যাপডের তালিকা রয়েছে। বিচারক পদমর্যাদার ২৫০ জন জুডিশিয়াল অফিসারকে প্রায় ৫০ লক্ষ নথি যাচাইয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
পরিস্থিতি বিবেচনা করে নিয়োগ
এই কাজে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি তিন বছর বা তা বেশি সময়ের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন সিভিল জজ (সিনিয়র ও জুনিয়র ডিভিশন) পদমর্যাদার অফিসারদেরও অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন। প্রতিদিন একজন জুডিশিয়াল অফিসার ২৫০ টি করে শুনানির নিষ্পত্তি করলেও ৮০ দিন সময় লাগবে। তাই সমস্ত পরিস্থিতি বিবেচনা করে রাজ্যের বিচারপতি ও অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ছাড়াও ওড়িশা এবং ঝাড়খন্ড থেকে বিচারকদের নিয়ে আসা হবে।
দুই রাজ্যের প্রধান বিচারপতিকে অনুরোধ
এই দুই রাজ্যের প্রধান বিচারপতিকে এই কাজে সাহায্য করার জন্য অনুরোধ করব।কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কোনও আবেদন এলে তা সহানুভূতির সঙ্গে এবং জরুরি ভিত্তিতে বিবেচনা করতে হবে ঝাড়খন্ড ও ওড়িশার প্রধান বিচারপতি কে।’ এক্ষেত্রে ভিন রাজ্যের বিচারপতিদের আসা-যাওয়া এবং থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা এবং খরচ বহন করতে হবে কমিশনকে বলে জানিয়ে দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি।
‘আমাদের কিছু করার নেই’
রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে দাবি করেন অন্য রাজ্য থেকে জুডিশিয়াল অফিসাররা এলে তাদের বাংলা বুঝতে অসুবিধা হবে। তার জবাবে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘এই পরিস্থিতিতে আমাদের কিছু করার নেই। ইতিহাস বলছে একটা সময় এই রাজ্যগুলো একে অপরের অঙ্গ ছিল এবং একই প্রশাসনিক কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত ছিল। তাই স্থানীয় ভাষা বা উপভাষার ধরন থেকে তারা কিছুটা ধারণা করতে পারবেন।’
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী নথি যাচাই (SIR SC)
এদিন প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত বলেন নির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ীই এই নথি যাচাই প্রক্রিয়া চলবে। ১৪ই ফেব্রুয়ারি আগে জমা পড়া নথি গ্রহণ করা হবে। এবং অতিরিক্ত যে তালিকা প্রকাশিত হবে সেগুলোকে ২৮ ফেব্রুয়ারির চূড়ান্ত তালিকা হিসেবেই গণ্য করা হবে।
আরও পড়ুন: EC SIR List: ২৮ ফেব্রুয়ারি SIR-এর প্রথম দফার চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ: কাজ শেষ নিয়ে ধন্দে কমিশন
আধার কার্ড এবং অ্যাডমিট কার্ড নথি (SIR SC)
সুপ্রিমকোর্ট এদিনও স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে, যাঁরা কাজ করবেন, তাঁদের সুবিধার জন্য এসআইআর-এর রুল সম্পর্কে অবগত করতে হবে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, আধার কার্ড এবং অ্যাডমিট কার্ড গ্রহণযোগ্য নথি হিসেবে মান্যতা পাবে। দায়িত্বে থাকা জুডিশিয়াল অফিসারকে তথ্য এবং নথির গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে বোঝানোর দায়িত্ব থাকবে ইআরও এবং এইআরও-দের।



