Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: রাত জেগে মোবাইল চালাচ্ছেন (Smartphone)?— কিশোরদের মস্তিষ্কে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে স্মার্টফোন আসক্তি, মাথার নীচে এখনও জ্বলছে একটিই আলো— স্মার্টফোনের স্ক্রিন। চোখ ক্লান্ত, শরীর অবসন্ন, তবু আঙুলের নড়াচড়া থেমে নেই। নেক্সট রিল, নেক্সট গেম, নেক্সট মেসেজ…! মনে হচ্ছে যেন সবকিছুর নিয়ন্ত্রণ হাতের মুঠোয়। কিন্তু আসলেই কি নিয়ন্ত্রণে আছি?
সাম্প্রতিক নিউরোসায়েন্স গবেষণা জানাচ্ছে, ১৩ থেকে ১৯ বছর বয়স হলো মানুষের মস্তিষ্কের সবচেয়ে পরিবর্তনশীল সময়। এই সময়েই গড়ে ওঠে আত্মনিয়ন্ত্রণ, মনোযোগ, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা এবং আবেগ নিয়ন্ত্রণ। কিন্তু এই বয়সেই যদি ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটে ফোন, রিলস, গেম বা সোশ্যাল মিডিয়ার জগতে— তাহলে মস্তিষ্কের স্বাভাবিক বিকাশ ব্যাহত হতে পারে।
ইতিবাচক দিক (Smartphone)
- মোবাইল ফোনের প্রভাব শুধু নেতিবাচক নয়। এর মাধ্যমে তরুণরা
- তথ্য ও শিক্ষার সুযোগ: অনলাইনে সহজেই পাওয়া যাচ্ছে শিক্ষা উপকরণ ও তথ্যভাণ্ডার।
- যোগাযোগের সেতু: দূরের বন্ধুবান্ধব ও পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখা সহজ হচ্ছে।
- বিনোদন ও অবসর: গেম, গান, ভিডিও ও সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে মানসিক প্রশান্তি পাচ্ছে তরুণ প্রজন্ম।
নেতিবাচক দিক? (Smartphone)
- মানসিক স্বাস্থ্যহানি: উদ্বেগ (Smartphone), বিষণ্ণতা, ঘুমের সমস্যা ও আত্মমর্যাদাবোধ কমে যাওয়া।
- শারীরিক সমস্যা: চোখের চাপ, দেহভঙ্গির অবনতি ও ঘুমের ব্যাঘাত।
- সামাজিক দক্ষতার ঘাটতি: ভার্চুয়াল যোগাযোগে নির্ভরশীল হয়ে বাস্তব জীবনের কথোপকথন ও সহানুভূতি কমে যাওয়া।
- শিক্ষার ক্ষতি: মনোযোগ বিভ্রাট, কাজ পিছিয়ে যাওয়া ও ফলাফল খারাপ হওয়া।
- আসক্তি: ফোনের উত্তেজনা তরুণদের মধ্যে আসক্তি তৈরি করছে।
- সাইবার বুলিং ও গোপনীয়তার ঝুঁকি: অনলাইন হয়রানি ও ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁসের আশঙ্কা বাড়ছে।
এর থেকে সমাধান কী?
- স্ক্রিনটাইম সীমিত করা
- খেলাধুলা ও শখে সময় দেওয়া
- মুখোমুখি যোগাযোগে উৎসাহিত করা
- অনলাইন কার্যকলাপ নজরে রাখা
- মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে খোলামেলা আলোচনা
আরও পড়ুন: Ballygunge: আইনজীবীর রহস্যমৃত্যু, আত্মহত্যা নাকি?
ফোন এখন শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়, তরুণদের ভবিষ্যৎ গঠনের একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তাই এখনই সচেতন না হলে, ডিজিটাল আসক্তি আগামী প্রজন্মের জন্য ভয়াবহ সমস্যা ডেকে আনতে পারে।


