Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: জিম্বাবোয়ে ম্যাচের আগে দক্ষিণ আফ্রিকার জয় টিম ইন্ডিয়ার জন্য কিছুটা হলেও স্বস্তি নিয়ে আসলো (South Africa)।
প্রোটিয়াদের বড় জয় (South Africa)
ভারতের কাছে একদিকে যেমন জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে ম্যাচ অগ্নিপরীক্ষা তেমনই ভারতীয় দলের নজর ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ বনাম দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচের দিকে। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে কার্যত উড়িয়ে ভারতীয় শিবিরে স্বস্তির হাওয়া নিয়ে এলো দক্ষিণ আফ্রিকা। দক্ষিণ আফ্রিকার সেমি ফাইনালের টিকিট প্রায় একপ্রকার নিশ্চিত (South Africa)।
সুপার এইটের প্রথম ম্যাচে জিম্বাবোয়েকে বড় রানের ব্যবধানে হারানোর ফলে ক্যারিবিয়ানরা পয়েন্ট টেবিলে সবার উপরে চলে গিয়েছিল। দক্ষিণ আফ্রিকা এদিন জিতে যাওয়ায় পয়েন্টের নিরিখেই এক নম্বরে উঠে গেলেন মার্করামরা। আর এই জয় ভারতীয় শিবিরে অক্সিজেনের কাজ করলো। কিছুটা হলেও স্বস্তি নিয়ে জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে গম্ভীর বাহিনী। ভারতের এখন একটাই প্রার্থনা থাকবে দক্ষিণ আফ্রিকা যেন শেষ ম্যাচেও জয় লাভ করে। আর ভারত বাকি দুটো ম্যাচ জিতে দ্বিতীয় দল হিসেবে শেষ চারের টিকিট জোগাড় করবে।

টস জিতে দক্ষিণ আফ্রিকা ব্যাট করতে পাঠায় ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। শুরু থেকেই ক্যারিবিয়ানরা উইকেট হারাতে থাকে। পরপর উইকেট হারিয়ে একসময় এমন অবস্থা হয় যে মনে হয়েছিল ১০০ রানের গন্ডি পার করাও কঠিন হবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের জন্য। ব্র্যান্ডন কিং, শাই হোপরা এলেন আর গেলেন। গত ম্যাচে শিমরন হেটমায়ার ঝড় তুলেছিলেন। এদিন তিনিও ব্যর্থ। রভম্যান পাওয়েলও ব্যর্থ। জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে তিনিও জ্বলে উঠেছিলেন। ৭ উইকেটে ৮৩ রান। এমন অবস্থায় অতি বড় ওয়েস্ট ইন্ডিজ সমর্থকও বিশ্বাস করেননি ক্যারিবিয়ানরা শেষমেশ ৮ উইকেটে ১৭৬ রান করবে (South Africa)।

হোল্ডার ও শেফার্ড জুটি ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে কার্যত ঝড় তোলেন মাঠের মধ্যে। দলের স্কোরকে সন্তোষজনক জায়গায় পৌঁছে দেন। হোল্ডার এক রানের জন্য পঞ্চাশ করতে পারেননি। অন্যদিকে শেফার্ড ৩৭ বলে ৫২ রানে অপরাজিত থেকে যান। অষ্টম উইকেটে শেফার্ডকে সঙ্গে নিয়ে ৫৭ বলে ৮৯ রানের পার্টনারশিপ গড়েন হোল্ডার। তবে শেষ দুই ওভার দক্ষিণ আফ্রিকা মাত্র ১৩ রান দেওয়ার সুবাদে ওয়েস্ট ইন্ডিজের রান এর বেশি যায় না। ১০০ রানের নীচে ৭ উইকেট চলে যাওয়ার পরে আন্তর্জাতিক টি–টোয়েন্টি ক্রিকেটে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।
আরও পড়ুন: Bosonto Utsav: রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলাই দোলের রঙের আসল উৎস
রান তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটাররা দানবীয় রূপ ধারণ করে। দুই ওপেনার ডি কক এবং মার্করাম ঝড়ের গতিতে স্কোরবোর্ডের রান তুলতে থাকেন। পাওয়ারপ্লেতে দক্ষিণ আফ্রিকা ৬৯ রান তুলে ফেলে। ডি কক ২৪ বলে ৪৭ রান করে রোস্টন চেজের বলে ড্রেসিং রুমে ফেরেন কিন্তু তারপরেও ঝড় থামেনি। মার্করামের সঙ্গে যোগ দেন রায়ান রিকেলটন। বাকি কাজটা সেরে ফেলেন এই দুই প্রোটিয়া তারকা। ম্যাচ শেষে মার্করাম অপরাজিত থাকেন ৮২ রানে এবং রিকেলটন অপরাজিত থাকেন ৪৫ রানে (South Africa)।


