Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে দুই সুপার ওভারে ম্যাচ জিতলো প্রোটিয়ারা (South Africa)।
থ্রিলার ম্যাচে হার আফগানিস্তানের (South Africa)
চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খাতায়-কলমে থাকা দুর্বল দলগুলির বিরুদ্ধে জিততে যথেষ্ট বেগ পেতে হচ্ছে বিপক্ষকে। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে নেপালকেও হারতে হয়েছিল শেষ লগ্নে। তবে এই বিশ্বকাপে শুরু থেকেই বোঝা যাচ্ছিল যে যখন-তখন অঘটন ঘটতে পারে। দক্ষিণ আফ্রিকা বনাম আফগানিস্তানের ম্যাচেও সেই ছবিই দেখা গেল যদিও অল্পের জন্য অঘটন ঘটলো না এই ম্যাচে। চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সবচেয়ে রুদ্ধশ্বাস ম্য়াচ দেখলেন ক্রিকেটপ্রেমীরা। টানটান সুপার ওভারে ম্যাচ জিতে নিলো দক্ষিণ আফ্রিকা (South Africa)।
গ্রুপ ডি-তে আফগানিস্তান প্রথম ম্যাচে নিউ জিল্যান্ডের কাছে হেরে শুরু করেছিল। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অন্যতম বড় শক্তিশালী দল হিসেবে উত্থান হচ্ছে আফগানিস্তানের। এবারের অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালেও খেলেছে আফগানিস্তান। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুপার এইটে ওঠার দৌড়ে এই জয় দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এই ম্যাচে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করলেও শেষ রক্ষা হলো না রশিদ খানদের।

বুধবার আমদাবাদে টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয় আফগানিস্তান। শুরুতেই প্রোটিয়া অধিনায়ককে তুলে নিয়ে বিরাট ধাক্কা দেন আফগান পেসার ফজলহক ফারুকি। কিন্তু দ্বিতীয় উইকেট পার্টনারিশিপে ৬১ বলে ১১৪ রান যোগ করে দক্ষিণ আফ্রিকাকে বড় স্কোরের পথে এগিয়ে নিয়ে যান দুই অভিজ্ঞ ব্যাটার, কুইন্টন ডি’কক (৫৯) ও রায়ান রিকেলটন (৬১)। দুজনই হাফসেঞ্চুরি করেন।

আফগানিস্তান যতবার বিপদে পড়েছে ততবার পরিত্রাতা হিসেবে উঠে এসেছে রশিদ খানের নাম। দুই ব্যাটারকে এই অভিজ্ঞ লেগ-স্পিনার ফিরিয়ে দেন একই ওভারে। এরপর আজমাতুল্লা ওমরজাই ৩ উইকেট নেন। ২০ ওভারের শেষে দক্ষিণ আফ্রিকার স্কোর ১৮৬, ৬ উইকেট হারিয়ে (South Africa)।

রান তাড়া করতে নেমে রহমানউল্লাহ গুরবাজ বিধ্বংসী মেজাজে ব্যাট শুরু করেন। ৪২ বলে ৮৪ রান করেন তিনি। তাঁর ব্যাটিংয়ে ভর করে ৪ ওভারে ৫০ রান তুলে ফেলে আফগানিস্তান। তারপর পরপর উইকেট হারিয়ে চাপে পরে যায় দল। শেষ ওভারে ১৩ রান বাকি থাকা অবস্থায় ১২ রান তুলতে পারে আফগানিস্তান। ম্যাচ গড়ায় সুপার ওভারে।

আরও পড়ুন: Bangladesh: বয়কটের দায় প্লেয়ারদের ঘাড়ে চাপাল বাংলাদেশ
সুপার ওভার যেন কোনও টানটান থ্রিলার গল্পের থেকে কম না। যেখানে দুই প্রতিপক্ষের মধ্যে সমানে-সমানে লড়াই চলছে। শার্লক আর ডক্টর মরিয়ার্টির টাসেল মনে করিয়ে দেবে। প্রতিটা চালে যেন এ ওকে টেক্কা দিচ্ছে। সুপার ওভারে প্রথমে ব্যাট করে ১৭ রান তোলে আফগানিস্তান। দক্ষিণ আফ্রিকাও শেষ বলে ৬ মেরে ১৭ তোলে। ফলাফল জানতে যেতে হয় দ্বিতীয় সুপার ওভারে। সেখানে প্রথম ব্যাট করে প্রোটিয়ারা ২৩ রান করে। ব্যাট করতে নেমে গুরবাজ পরপর তিন বলে ৩ ছক্কা মেরে ম্যাচ জমিয়ে দেন। চাপের মুখে কেশব মহারাজ একটি ওয়াইড করে বসেন। শেষ বলে তখন দরকার ৫ আর এই পরিস্থিতিতে ক্যাচ দিয়ে বসেন গুরবাজ। অবশেষে দুই সুপার ওভারে ম্যাচ যেতে দক্ষিণ আফ্রিকা (South Africa)।


