Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: তেলেঙ্গনায় (Telangana) ভয়াবহ দুর্ঘটনা। শনিবার ভোররাতে তেলাঙ্গানার ইয়াদাদরি ভুবনাগিরি জেলার চৌতুপ্পাল এলাকার একটি বেসরকারি রাসায়নিক কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনায় অন্তত ৬ জন আহত হয়েছেন। আরও কয়েকজন কর্মীর খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।
চুল্লি বিকট শব্দে বিস্ফোরিত (Telangana)
প্রশাসন সূত্রে খবর, ভোররাতের দিকে আচমকাই (Telangana) কারখানার ভিতরে থাকা দুটি চুল্লি বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই ছিল যে আশপাশের কয়েক কিলোমিটার এলাকা কেঁপে ওঠে। স্থানীয় বাসিন্দারা ঘুম ভেঙে আতঙ্কে রাস্তায় নেমে আসেন। দূর থেকে দেখা যায়, আগুনের লেলিহান শিখা এবং ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যাচ্ছে গোটা এলাকা। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছন চৌতুপ্পালের ডিএসপি মধুসূদন রেড্ডি-সহ পুলিশ আধিকারিকরা। দমকলের একাধিক ইঞ্জিন আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে কাজে নামে। প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টায় মূল আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হলেও কারখানার বিভিন্ন অংশে এখনও পকেট ফায়ার রয়েছে বলে দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে।
ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে তল্লাশি (Telangana)
পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, বিস্ফোরণের সময় কারখানার ভিতরে (Telangana) দুই নিরাপত্তারক্ষী-সহ মোট ১১ জন কর্মী উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ৬ জনকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কয়েকজনের দেহে দগ্ধ হওয়ার চিহ্ন রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। নিখোঁজ কর্মীদের সন্ধানে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে।
দাহ্য ও দাহ্যপ্রবণ পদার্থ মজুত ছিল (Telangana)
দমকল বিভাগের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, কারখানাটি রাসায়নিক (Telangana) উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় সেখানে বিপুল পরিমাণ দাহ্য ও দাহ্যপ্রবণ পদার্থ মজুত ছিল। ফলে বিস্ফোরণের পর মুহূর্তের মধ্যে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। কী কারণে চুল্লিতে বিস্ফোরণ ঘটেছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। প্রযুক্তিগত ত্রুটি নাকি নিরাপত্তা ব্যবস্থায় গাফিলতি-সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ফরেন্সিক দলকেও ঘটনাস্থলে ডাকা হয়েছে।
শিল্পাঞ্চলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন
এদিকে, এই ঘটনার পর ফের শিল্পাঞ্চলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। উল্লেখ্য, গত বছর জুন মাসে Telangana-র সাঙ্গারেড্ডি জেলার সিগাচি কেমিক্যালস কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে ৩৬ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছিল এবং আহত হয়েছিলেন আরও ৩৬ জন। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও একই রাজ্যে রাসায়নিক কারখানায় বিস্ফোরণ উদ্বেগ বাড়াচ্ছে প্রশাসনের।
বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও গোটা এলাকা ঘিরে রেখেছে পুলিশ। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারখানার কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হতে পারে বলে সূত্রের খবর। আহতদের চিকিৎসার খরচ বহনের আশ্বাস দিয়েছে কারখানা কর্তৃপক্ষ।


