Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: থাইরয়েড গ্রন্থি হল একটি নরম (Thyroid Disease), প্রজাপতি আকৃতির গ্রন্থি যা ঘাড়ের সামনে, আদমের আপেলের ঠিক নীচে অবস্থিত। থাইরয়েড গ্রন্থির ব্যাধি শরীরের গঠন বা কার্যকারিতাকে বিরূপভাবে প্রভাবিত করে। থাইরয়েড সমস্যা মহিলাদের মধ্যে প্রায় 5-6 গুণ বেশি সাধারণ।
শর্করা ও দানাশস্য (Thyroid Disease)
- নতুন চালের ভাত, মিহি আটা (ময়দার মতো পরিশোধিত শস্য)
- অড়হর ডাল, রাজমা, স্প্রাউটস, ছোলা প্রভৃতি ডালজাতীয় খাবার
এগুলোতে থাকে গয়ট্রোজেনিক উপাদান, যা থাইরয়েড হরমোন তৈরির প্রক্রিয়াকে বাধা দেয়। ফলে রোগের জটিলতা বাড়তে পারে।
কিছু নির্দিষ্ট সবজি (Thyroid Disease)
- বেগুন, লেবু, টম্যাটো, গাজর
- বিশেষত বাঁধাকপি, ফুলকপি, ব্রকলি প্রভৃতি ক্রুসিফেরাস সবজি
এগুলো থাইরয়েড হরমোনের কার্যকারিতা কমিয়ে দেয়। যদি খেতেই হয়, তবে হালকা ভাপে রান্না করে খাওয়া ভালো, কাঁচা বা সালাদ আকারে নয়।

কিছু ফল (Thyroid Disease)
- কাঁঠাল ও আঙুর
এই ফলগুলিতে থাকা কিছু প্রাকৃতিক উপাদান থাইরয়েডের কার্যক্ষমতা হ্রাস করে।

প্রক্রিয়াজাত খাবার
- ফাস্ট ফুড, জাঙ্ক ফুড, অতিরিক্ত তেলে ভাজা খাবার
এগুলো শরীরে কোলেস্টেরল বাড়িয়ে দেয় এবং থাইরয়েডের মেটাবলিজমকে আরও খারাপ করে তোলে।
অতিরিক্ত সয়া জাতীয় খাবার
- সয়া দুধ, সয়া বিন, টোফু
সয়া আইসোফ্ল্যাভন থাইরয়েড হরমোন উৎপাদনে বিঘ্ন ঘটায়, বিশেষ করে যাদের হাইপোথাইরয়েড আছে।
তুলনামূলকভাবে নিরাপদ খাবার
- সেদ্ধ ডাল বা হালকা রান্না করা শস্য (অতিরিক্ত নয়)
- ডিম, মাছ, মুরগি – প্রোটিনের ভালো উৎস
- আয়োডিনসমৃদ্ধ খাবার (যেমন আয়োডিনযুক্ত লবণ, সামুদ্রিক মাছ – তবে ডাক্তারের পরামর্শে)
- তাজা মৌসুমি ফল (আপেল, কলা, কমলা – তবে আঙুর ও কাঁঠাল বাদ দিয়ে)
- দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার পরিমিত পরিমাণে
অতিরিক্ত কিছু টিপস
- থাইরয়েড রোগীদের ক্যাফেইন ও অ্যালকোহল কমাতে হবে।
- খাবার নির্দিষ্ট সময়ে খেতে হবে এবং ওষুধ খাওয়ার অন্তত ৩০ মিনিট পর খাবার খাওয়া উচিত।
- কাঁচা বাঁধাকপি, ব্রকলি বা ফুলকপি একেবারেই এড়িয়ে চলা উচিত।
- ডাক্তারের দেওয়া ওষুধ ও ডায়েট দুটোই একসঙ্গে মেনে চলা আবশ্যক।
আরও পড়ুন: Stock Market Holiday: আগামী সপ্তাহে মাত্র চার দিন খোলা থাকবে শেয়ার বাজার! কবে থাকবে ছুটি?
থাইরয়েডের রোগীদের ক্ষেত্রে কী খাবেন আর কী খাবেন না, তা খুবই স্পষ্টভাবে মেনে চলা দরকার। কারণ সামান্য অবহেলা রোগকে দীর্ঘমেয়াদি ও জটিল করে তুলতে পারে।



