Last Updated on [modified_date_only] by Sumana Bera
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ছুটির দিনেও স্বস্তি নেই। সপ্তাহের শেষ দিনে শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখায় ট্রেন চলাচল ব্যাহত। চরম দুর্ভোগের শিকার সাধারণ যাত্রীরা। পার্ক সার্কাস স্টেশনে রেলের ‘মেজর পাওয়ার ব্লক’-এর জেরে রবিবার ভোর থেকেই বিঘ্নিত দক্ষিণ শাখার ট্রেন পরিষেবা (Train Services)। ভোরের লোকাল ট্রেনগুলি নির্ধারিত সময়ের চেয়ে কয়েক ঘণ্টা দেরিতে চলায় স্টেশনে স্টেশনে ভিড় উপচে পড়ে।
ভোর থেকেই ভোগান্তি (Train Services)
রেল সূত্রে খবর, সাধারণত শিয়ালদহ স্টেশন থেকে ভোর ৪টের সময় লক্ষ্মীকান্তপুরের উদ্দেশ্যে প্রথম লোকাল ট্রেন ছেড়ে যায়। কিন্তু এ দিন পাওয়ার ব্লকের কারণে প্রথম ট্রেনটি ছাড়তে প্রায় তিন ঘণ্টা দেরি হয়েছে। ফলে ভোর থেকে যারা গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য স্টেশনে এসেছিলেন, তারা কার্যত দিশেহারা হয়ে পড়েন। দীর্ঘক্ষণ কোনও ট্রেনের দেখা না মেলায় এবং স্টেশনে সঠিক ঘোষণা না হওয়ায় ক্ষোভ উগরে দেন যাত্রীরা।
আরও পড়ুন: https://ktvbangla.com/sealdah-south-section-train-local-service-close/
পাওয়ার ব্লকের সময়টুকুতে যাত্রীদের সুবিধার্থে রেলের তরফে কিছু বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। তা আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল রেল কর্তৃপক্ষের তরফে। ক্যানিং, লক্ষ্মীকান্তপুর, নামখানা ও বারুইপুরগামী ট্রেনগুলি মূলত সোনারপুর স্টেশন থেকে চালানো হচ্ছে (Train Services)। সেরকমই ডায়মন্ড হারবার এবং বজবজগামী ট্রেন বালিগঞ্জ স্টেশন থেকে ছাড়ছে। শিয়ালদহ থেকে যাত্রাও শুরু করছে না এই ট্রেনগুলি। ফলে যাত্রী ভোগান্তি চরমে।
যাত্রীদের নাজেহাল অবস্থা
যদিও রবিবার অফিসের ব্যস্ততা থাকে না, তবুও ছুটির দিনে বহু মানুষ ব্যক্তিগত কাজে বা ঘুরতে বের হন। ট্রেন দেরিতে চলায় শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার প্রতিটি স্টেশনে যাত্রীদের ভিড় ক্রমেই বাড়তে থাকে। সন্তোষপুরগামী এক যাত্রী আক্ষেপ করে বলেন, “অনেকক্ষণ ধরে স্টেশনে দাঁড়িয়ে আছি। ঠিকমতো ট্রেন আসছে না (Train Services), আবার ট্রেনের সংখ্যাও কম। ভিড় এত বেশি যে ট্রেনের কামরায় পা রাখার জায়গা নেই।”
আরও পড়ুন:https://ktvbangla.com/l20-bus-stand-relocated-from-dharmatala/
বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে একটি ট্রেন প্ল্যাটফর্মে ঢুকলেই তাতে হুড়মুড়িয়ে ওঠার চেষ্টা করতে দেখা যায় যাত্রীদের। রেল সূত্রে জানানো হয়েছে, জরুরি রক্ষণাবেক্ষণের কাজের জন্যই এই পাওয়ার ব্লক নেওয়া হয়েছিল। তবে রবিবারের এই ভোগান্তি যে সারাদিনই যাত্রীদের তাড়া করে বেড়াবে, তা বলাই বাহুল্য। সোমবার সকাল থেকে পরিস্থিতি (Train Services) স্বাভাবিকের পথে যাবে বলে জানানো হয়েছে।


