Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ২০২৬ সালের ১২ এপ্রিল ত্রিপুরার এডিসি (Tripura) নির্বাচনের অন্তিম মুহূর্তে খোয়াই জেলার কল্যাণপুর বিধানসভা কেন্দ্রের মহারানী এলাকার দীনদয়াল পাড়া বিদ্যালয় সংলগ্ন অঞ্চলে যে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, তা গোটা রাজ্যের নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। ভোটগ্রহণের শেষ লগ্নে ঘটে যাওয়া এই ঘটনা সাধারণ ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ানোর পাশাপাশি গণতান্ত্রিক পরিবেশকে চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড় করিয়েছে।

ভোটের শেষ মুহূর্তে ‘বহিরাগত’ হামলার অভিযোগ (Tripura)
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোটের সময়সীমা শেষ হওয়ার ঠিক আগে কয়েকটি গাড়িতে করে একদল সশস্ত্র বহিরাগত দুষ্কৃতী এলাকায় প্রবেশ করে। তাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল বুথ দখল এবং ভোট প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন সৃষ্টি করা এমনটাই অভিযোগ স্থানীয় জনজাতি বাসিন্দাদের। দুষ্কৃতীদের হঠাৎ উপস্থিতিতে ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং এলাকায় একপ্রকার বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়।
গ্রামবাসীদের প্রতিরোধে ভেস্তে যায় পরিকল্পনা (Tripura)
তবে দুষ্কৃতীদের এই প্রচেষ্টা সহজে সফল হয়নি। স্থানীয় জনজাতি গ্রামবাসীরা একজোট হয়ে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। তাদের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের মুখে দুষ্কৃতীরা পিছু হটতে বাধ্য হয়। গ্রামবাসীদের ধাওয়া খেয়ে পালানোর সময় দুষ্কৃতীরা শূন্যে গুলি চালায় বলে অভিযোগ উঠেছে। এই গুলির শব্দে মুহূর্তের মধ্যে এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং পরিস্থিতি রণক্ষেত্রের রূপ নেয়।

কেন্দ্রীয় বাহিনীর তৎপরতা (Tripura)
ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত এলাকায় পৌঁছে যায় বিশাল পুলিশ বাহিনী ও কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীর জওয়ানরা। তাদের উপস্থিতিতে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণে আসে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা মোতায়েন করা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে এবং অভিযুক্ত দুষ্কৃতীদের শনাক্ত করার কাজ চলছে।

আরও পড়ুন: Badminton Ayush Shetty: রূপোয় থামতে হল আয়ুষকে!
রাজনৈতিক চাপানউতোর ও নিরাপত্তার দাবি
এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র চাপানউতোর। বিভিন্ন পক্ষ একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলতে শুরু করেছে। অন্যদিকে, স্থানীয় বাসিন্দারা নিরাপত্তার দাবিতে সরব হয়েছেন। তারা নির্বাচন কমিশনের কাছে দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার ও কড়া শাস্তির দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে।



