Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ত্রিপুরার রাজধানী আগরতলার (Tripura TMC) বনমালিপুর এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য কার্যালয়ে হামলার অভিযোগ ঘিরে ফের রাজনৈতিক অস্থিরতা মাথাচাড়া দিয়েছে। তৃণমূলের সরাসরি অভিযোগ, বিজেপি-সমর্থিত দুষ্কৃতীরাই এই হামলার পিছনে। তাদের দাবি, মঙ্গলবার বিজেপির বিক্ষোভ মিছিল থেকেই রাজ্য কার্যালয়ের উপর আক্রমণ চালানো হয়, এবং ঘটনাটি ঘটেছে পুলিশের সামনে। অন্যদিকে, বিজেপি এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করে বলছে, কোনও হামলা হয়নি- ছিল শুধুই প্রতিবাদ মিছিল।
রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল (Tripura TMC)
এই ঘটনার জেরে রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল পড়ে গেছে। তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে এই হামলাকে গণতন্ত্রের উপর ‘সরাসরি আঘাত’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। দলের দাবি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সাম্প্রতিক মন্তব্যেই উসকানি পেয়েছে বিজেপি কর্মীরা। এক ফেসবুক পোস্টে তৃণমূল লিখেছে, “ত্রিপুরার এই হামলা কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এটি বিজেপির ফ্যাসিবাদী রাজনীতির ধারাবাহিক অংশ। যারা মুখে গণতন্ত্রের কথা বলে, তারাই আবার বিভিন্ন রাজ্যে বিরোধীদের উপর হামলা করছে।”
আরও পড়ুন: Prosenjit Chatterjee: উত্তরবঙ্গের মানুষ ছাড়া আমাদের অস্তিত্ব অসম্পূর্ণ – প্রসেনজিৎ
গণতন্ত্রের নামে গুন্ডামি ! (Tripura TMC)
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার বিজেপি নেতারা নাগরাকাটায় খগেন (Tripura TMC) মুর্মু ও শঙ্কর ঘোষের উপর হামলার প্রতিবাদে মিছিল করেন বনমালিপুর এলাকায়। আর সেই মিছিল থেকেই তৃণমূল কার্যালয়ে হামলা বলে অভিযোগ। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বুধবার ত্রিপুরায় একটি প্রতিনিধি দল পাঠাচ্ছেন বলে জানা গেছে। তাঁর বার্তা স্পষ্ট- গণতন্ত্রের নামে গুন্ডামি বরদাস্ত করা হবে না।

অভিযোগ ভিত্তিহীন!
অন্যদিকে, বিজেপির ত্রিপুরা শাখা হামলার কথা উড়িয়ে দিয়েছে। দলীয় মুখপাত্র সুব্রত চক্রবর্তীর দাবি, “তৃণমূল পশ্চিমবঙ্গে যেভাবে গণতন্ত্র ধ্বংস করেছে, তা দেখে ত্রিপুরার মানুষ ফুঁসছে। হামলার অভিযোগ ভিত্তিহীন।”


