Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: রাশিয়ার ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় (Ukraine) ইউক্রেনের বেশিরভাগ অঞ্চল অন্ধকারে ডুবে গিয়েছে। রাতভর চলা এই আক্রমণকে ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষ “প্রযুক্তিগত বিপর্যয়” বলে উল্লেখ করেছে। দেশটির জ্বালানি পরিকাঠামোয় বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে, রাজধানী কিভসহ একাধিক প্রদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।
বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় বড়সড় আঘাত (Ukraine)
ইউক্রেনের জ্বালানি মন্ত্রী হারম্যান (Ukraine) গালুশচেঙ্কো বলেন, “এটি ছিল বিদ্যুৎ ব্যবস্থার উপর সবচেয়ে বড় আঘাতগুলির একটি। কিছু স্থানে ফের বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু করতে কয়েকদিন লাগতে পারে।” তিনি জানান, অন্তত একজন নিহত এবং কয়েকজন আহত হয়েছেন, যাদের অনেকেই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কর্মী।
ইউক্রনে রুশ ড্রোন ও ক্ষেপনাস্ত্র হানা (Ukraine)
ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, রাশিয়া প্রায় ৭০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও (Ukraine) ড্রোন ছুড়েছে, যার মধ্যে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি ও যোগাযোগ কেন্দ্রকে লক্ষ্য করে ছোড়া হয়। কিভ, খারকিভ, দনিপ্রো ও ওডেসায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। প্রতিরক্ষা বাহিনী দাবি করেছে, বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে ভূপাতিত করা হয়েছে, কিন্তু পরিকাঠামোগত বিশাল ক্ষতি হয়েছে।
একাধিক পরিষেবা বিপর্যস্ত
কিভের মেয়র ভিটালি ক্লিচকো জানান, শহরের কিছু অংশে জল সরবরাহও ব্যাহত হয়েছে। হাসপাতালগুলি জরুরিভিত্তিকভাবে জেনারেটরে চলছে। সরকার নাগরিকদের প্রয়োজনীয় সেবা সচল রাখতে বিকল্প ব্যবস্থা নিচ্ছে।
দাবি-পাল্টা দাবি
রাশিয়া জানিয়েছে, ইউক্রেনের সামরিক ঘাঁটি ও অস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্রগুলিকেই তারা লক্ষ্য করেছে। তবে ইউক্রেনের দাবি, এই হামলা স্পষ্টতই দেশের অসামরিক পরিকাঠামোর উপর, যা সরাসরিভাবে আন্তর্জাতিক মানবিক আইন লঙ্ঘন বলেই মনে করা হচ্ছে।
সাধারণ মানুষের ব্যাপক ভোগান্তি
এই আক্রমণের ফলে ইউক্রেনজুড়ে তাপমাত্রা কমতে শুরু করায় সাধারণ মানুষ মারাত্মক ভোগান্তিতে পড়েছেন। ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেন, “রাশিয়া আমাদের মনোবল ভাঙতে পারবে না। আমরা আলো ফিরিয়ে আনব।”


