Last Updated on [modified_date_only] by Debu Das
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভারতে তুলো আমদানিতে আপাতত কোনও শুল্ক দিতে হবে না। ব্যবসায়ীদের আর্থিক চাপে খানিকটা স্বস্তি দিতে কেন্দ্রীয় সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে(US Tariff On India)। শুধু তুলো নয়, কৃষিক্ষেত্রেও Agriculture Infrastructure and Development Cess আপাতত মকুব করা হয়েছে। এই নির্দেশ কার্যকর হবে ১৯ অগস্ট থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। সোমবার রাতেই কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রক বিজ্ঞপ্তি জারি করে এই ঘোষণা করে।
আগে কত ছিল শুল্ক? (US Tariff On India)
সরকারি নিয়ম অনুসারে তুলো আমদানিতে আগে ১১ শতাংশ শুল্ক নেওয়া হত(US Tariff On India)। সেই চাপ আপাতত থেকে মুক্তি পেলেন ব্যবসায়ীরা। ফলে, বিশেষত বস্ত্র শিল্পের কারবারিরা বড় সুবিধা পাবেন। তুলো আমদানির খরচ কমলে সরাসরি প্রভাব পড়বে উৎপাদন ব্যয়ে, যা আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানকে শক্তিশালী করবে।
মার্কিন চাপে ভারতীয় রফতানি (US Tariff On India)
এই সিদ্ধান্তের পিছনে আন্তর্জাতিক চাপও বড় কারণ(US Tariff On India)। সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald J. Trump) ঘোষণা করেছেন, ভারতীয় পণ্যের উপর দুই দফায় মিলিয়ে ৫০ শতাংশ আমদানি শুল্ক আরোপ করা হবে। এতে আমেরিকার বাজারে প্রবল ধাক্কা খেয়েছেন ভারতীয় রফতানিকারীরা। বিশেষত বস্ত্র, অলঙ্কার ও চর্মশিল্পের মতো ক্ষেত্র, যেগুলিতে বিপুল কর্মসংস্থান জড়িত, সেগুলিই সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত।

মোদী সরকারের বার্তা (US Tariff On India)
এই আবহে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী-র বার্তা স্পষ্ট—তিনি ব্যবসায়ী ও কৃষকদের পাশে আছেন। ট্রাম্পের পদক্ষেপকে ভারত “অন্যায় ও অযৌক্তিক” বলে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। একইসঙ্গে মোদী আহ্বান জানিয়েছেন, ব্যবসায়ীরা যেন ‘ভোকাল ফর লোকাল’ মন্ত্রকে গুরুত্ব দেন। দেশীয় পণ্যের ব্যবহার ও উৎপাদন বাড়ানোই দীর্ঘমেয়াদে সুরক্ষা দেবে, বলে মত বিশেষজ্ঞদের।
ছোট-মাঝারি শিল্পে প্রভাব (US Tariff On India)
সরকারি সূত্রের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, যদি সত্যিই মার্কিন বাজারে ভারতীয় পণ্যের উপর ৫০ শতাংশ আমদানি শুল্ক কার্যকর হয়, তা হলে দেশের ছোট ও মাঝারি শিল্পে বড় ধাক্কা লাগবে(US Tariff On India)। বিশেষত যেসব শিল্পে বিপুল কর্মসংস্থান তৈরি হয়—যেমন চর্মশিল্প, অলঙ্কার, বস্ত্র শিল্প—সেখানে সংকট আরও বাড়বে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, তুলো আমদানিতে সাময়িক শুল্ক মকুব ব্যবসায়ীদের কিছুটা অক্সিজেন দিলেও এটি স্থায়ী সমাধান নয়। মার্কিন বাজারে রফতানির উপর নির্ভরশীলতা কমাতে হলে ভারতকে নতুন বাজার খুঁজতে হবে এবং দেশীয় উৎপাদনে আরও জোর দিতে হবে।


