Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভ্যান ডাইককে (Virgil van Dijk) নিয়ে লিভারপুল সমর্থকদের মধ্যে এখন চিন্তার ছায়া। এক সময় ক্লাবের রক্ষা স্তম্ভ হিসেবে তিনি ছিলেন, এমনকি স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসনের সেই বিখ্যাত কথাকে সত্যি প্রমাণ করেছিলেন-“ডিফেন্সই খেতাব জেতায়।” ২০১৮ সালে সাউদাম্পটন থেকে ৭৫ মিলিয়ন পাউন্ডে লিভারপুলে যোগ দেওয়ার পর, ভ্যান ডাইক লিভারপুলের ডিফেন্সের অটুট ভিত্তি হয়ে ওঠেন। কিন্তু চলতি মরশুমে তার পারফরম্যান্স অনেকটা ভাঙাচোরা মনে হচ্ছে।
দুর্বল ডিফেন্স (Virgil van Dijk)
গতকাল সান্ডারল্যান্ডের (Virgil van Dijk) বিরুদ্ধে খেলায় তার দুর্বল ডিফেন্স প্রকাশ পেয়েছে। গোল খাওয়ার সময় বল হারানো, শট ব্লক করতে পিছিয়ে যাওয়া-এ ধরনের ভুল ভ্যান ডাইকের মতো ডিফেন্ডারের জন্য অস্বাভাবিক। তার রক্ষণাত্মক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা, যা আগে অতুলনীয় ছিল, এখন প্রশ্নের মুখে। সমর্থকেরা লক্ষ্য করেছেন, রিকভারি রান, ট্যাকল, ইন্টারসেপশন-সবই আগের মতো নেই। এমনকি অনেক মুহূর্তে সে বলের দিকে না তাকিয়ে ‘ব্যাক টার্ন’ করছে।

ভ্যান ডাইকের সমস্যার মূল কারণ… (Virgil van Dijk)
ভ্যান ডাইকের সমস্যার মূল কারণ শুধু তার ব্যক্তিগত (Virgil van Dijk) ফর্মহীনতা নয়। লিভারপুলের সামগ্রিক অবস্থা এবং নতুন খেলোয়াড়দের মানিয়ে নেওয়ার সমস্যা তাকে অতিরিক্ত চাপের মধ্যে ফেলেছে। নতুন রক্ষণ দলে মিলোস কেরকেজ মানিয়ে নিতে পারছেন না, ইব্রাহিমা কোনাতে অফ-ফর্মে, ফলে ভ্যান ডাইককে তার দায়িত্বের বাইরে আরও ফাঁক সামলাতে হচ্ছে। দলগত সমন্বয় ভাঙলে একজন ডিফেন্ডারের দুর্বলতা আরও বাড়ে, আর সেটিই ঘটেছে।

আরও পড়ুন: Anoushka Shankar: আলাদা ‘হ্যান্ডলিং চার্জ’ দিয়েও ফ্লাইটে ভাঙল সেতার, বেজায় চটলেন অনুষ্কা!
সান্ডারল্যান্ডের ম্যাচে ভ্যান ডাইক মাঠে নেতৃত্ব দিতে পারেননি। ড্রেসিংরুমে তিনি ক্যাপ্টেন হলেও মাঠে তার কমান্ড এবং উদ্দীপনা দেখা যায়নি। দলের রক্ষা এবং সংহতি রক্ষার দায়িত্ব থাকা সত্ত্বেও মাঠে তার উপস্থিতি অপ্রত্যাশিতভাবে হীন মনে হয়েছে। সমর্থকরা বলছেন, যেখানে আগে ভ্যান ডাইক আত্মবিশ্বাসে ভরা ছিলেন, এখন সাহসও কমে গেছে। এবার আর্নে স্লটের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো, ভ্যান ডাইককে আবার তার পুরনো শক্তিশালী ছায়া থেকে বের করা। ক্লপের অধীনে গেগেনপ্রেসিং-এ তিনি আলো ছড়াতেও পারতেন, কিন্তু ধীর এবং কম অ্যাথলেটিক পজিশনাল ফুটবলে তার প্রভাব কমে গেছে।


