Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কট এবং হরমুজ প্রণালীতে অস্থিরতা ভারতের ফার্মাসিউটিক্যাল, স্বাস্থ্যপরিষেবা ও মেডিকেল ডিভাইস খাতে সরাসরি প্রভাব ফেলছে(War Medical)। বাড়তি পরিবহন খরচ, বীমা ব্যয় এবং কাঁচামালের দাম বৃদ্ধির কারণে উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে, যা রফতানি প্রতিযোগিতায় চাপ সৃষ্টি করছে।
টিঁকে থাকতে মূল্যবৃদ্ধি (War Medical)
ইন্ডিয়ান মেডিকেল ডিভাইস ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন (AiMeD)-এর পিআর রাজীব নাথ জানিয়েছেন, গুরুত্বপূর্ণ প্লাস্টিক কাঁচামালের দাম প্রায় ৫০% পর্যন্ত বেড়েছে, প্যাকেজিং খরচ ২০% বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ডিজেল ও গ্যাসের মূল্যও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এর ফলে সিরিঞ্জ, গ্লাভস ও অন্যান্য ডিসপোজেবল মেডিকেল পণ্যের উৎপাদনে মার্জিন কমে যাচ্ছে। অনেক সংস্থা টিকে থাকতে পণ্যের দাম ১০-২০% পর্যন্ত বাড়াতে বাধ্য হয়েছে।
ড় ধরনের সরবরাহ সংকট নেই
যদিও বর্তমানে বড় ধরনের সরবরাহ সংকট নেই, তবুও পরিবহন বিলম্ব ও বাড়তি খরচ ভবিষ্যতে উৎপাদন ও সরবরাহ চক্রে প্রভাব ফেলতে পারে। এই পরিস্থিতিতে AiMeD সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে, যেমন GST রিফান্ড দ্রুত করা ও আমদানিতে অস্থায়ী ছাড় দেওয়া।
বাড়ছে ক্ষতির পরিমাণ (War Medical)
ফার্মা ও প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা রফতানিও চাপে রয়েছে। ওমনিঅ্যাকটিভ হেলথ টেকনোলজিসের সঞ্জয়া মারিওয়ালা সতর্ক করে বলেছেন, এই সংকটের কারণে ২,৫০০–৫,০০০ কোটি টাকার ক্ষতি হতে পারে। বাড়তি শিপিং খরচ ও সরবরাহ বিঘ্ন রপ্তানির নির্ভরযোগ্যতা কমাচ্ছে।
আরও পড়ুন: West Asia conflict: যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে প্রবাসী ভারতীয়রা
চিকিৎসা সরঞ্জামের সরবরাহ স্বাভাবিক (War Medical)
নিউট্রিফাই টুডের অমিত শ্রীবাস্তব মনে করেন, এই পরিস্থিতি ভারতকে নতুন বাজার যেমন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকায় প্রসার বাড়াতে উৎসাহিত করবে। তবে ইতিবাচক দিক হল, দেশের হাসপাতাল পরিষেবায় এখনও বড় প্রভাব পড়েনি। অ্যাপোলো হাসপাতাল জানিয়েছে, চিকিৎসা সরঞ্জামের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে এবং আন্তর্জাতিক রোগীর আগমনও স্থিতিশীল আছে, যদিও আফ্রিকা থেকে রোগী কমতে পারে।



