Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: রোজ জিম করছেন? ঠিক মত ডায়েট করলে আরও ওজন কমবে (Weight Ioss)? খাবার সচেতনার দিকে লক্ষ রাখছেন… আর স্বাস্থ্য! মানুষ এখন খুব সচেতন, স্বাস্থ্য সচেতনতা আগের থেকে বহুগুণে বেড়েছে। সবাই জানেন, অতিরিক্ত মেদ বা স্থূলতা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। স্থূলতার কারণে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদ্রোগ কিংবা জটিল জয়েন্ট সমস্যার ঝুঁকি বাড়ে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, শুধু মোটা হওয়াই নয়, বরং মাত্রাতিরিক্ত রোগা হওয়াও ভয়ঙ্কর ঝুঁকি ডেকে আনতে পারে।

গবেষণার কী বলা হয়েছে? (Weight Ioss)
গবেষকরা ডেনমার্কের প্রায় ৮৫ হাজার মানুষের স্বাস্থ্য-সংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণ করেছেন। অংশগ্রহণকারীদের গড় বয়স ছিল প্রায় ৬৬ বছর। তাঁদের ওজন ও উচ্চতার ভিত্তিতে বডি মাস ইনডেক্স নির্ধারণ করে বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করা হয়। এরপর দীর্ঘ সময় ধরে মৃত্যুহার তুলনা করে দেখা যায়—
- যাঁদের BMI ১৮.৫-এর নিচে (অতিরিক্ত রোগা), তাঁদের মৃত্যুর ঝুঁকি স্বাভাবিক ওজনের মানুষের তুলনায় তিন গুণ বেশি।
- যাঁরা স্বাভাবিক ওজনের নিম্ন সীমায় (BMI ১৮.৫ – ২২.৫), তাঁদেরও মৃত্যুর ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি পাওয়া গেছে।
- আশ্চর্যের বিষয়, সামান্য বেশি ওজনধারীদের মৃত্যুর সম্ভাবনা এতটা বাড়েনি।
- তবে অত্যন্ত স্থূলকায় (BMI ৩৫-এর বেশি) মানুষদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি যথেষ্ট বেশি।

কেন রোগা হওয়া বেশি বিপজ্জনক? (Weight Ioss)
অনেক সময় গুরুতর রোগ যেমন- ক্যানসার, ফুসফুসের অসুখ বা দীর্ঘস্থায়ী সংক্রমণের কারণে শরীর থেকে ওজন হঠাৎ কমে যায়। ফলে রোগা শরীর মানেই যে সুস্থ শরীর, তা নয়। ভেতরে লুকিয়ে থাকা সমস্যা অনেক সময় বাইরের চেহারায় বোঝা যায় না।
চিকিৎসকরা মনে করেন, শরীরে চর্বি কোথায় জমেছে, সেটিই আসল বিষয়। উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে,
ভেতরের অঙ্গের চারপাশে জমা ভিসেরাল ফ্যাট সবচেয়ে বিপজ্জনক, কারণ এটি হৃৎপিণ্ড ও লিভারের কার্যক্ষমতা নষ্ট করতে পারে।
অপরদিকে হিপ বা উরুতে জমা ফ্যাট তুলনামূলক কম ক্ষতিকর।
আরও পড়ুন: Gold Rate Today: পুজোর আগেই কমল সোনার দাম!
বিশেষজ্ঞদের মতে, (Weight Ioss)
- খাদ্যাভ্যাস ও পুষ্টির মান
- শরীরে পেশির পরিমাণ
- রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা
- জীবনযাত্রা ও মানসিক চাপ
সুস্থ থাকার জন্য করণীয় কী? (Weight Ioss)
- প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাসে সুষম পুষ্টি নিশ্চিত করা।
- শরীরের ওজনকে স্বাভাবিক সীমায় রাখা, তবে অতিরিক্ত রোগা হয়ে যাওয়া এড়ানো।
- নিয়মিত ব্যায়াম ও পর্যাপ্ত শারীরিক সক্রিয়তা বজায় রাখা।
- প্রতিদিন অন্তত ৭-৮ ঘণ্টা ভালো ঘুম নিশ্চিত করা।
- বছরে অন্তত একবার পূর্ণ স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা।



